নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দূর্ভোগ কমাতে সাময়িক সংষ্কারের দাবী গ্লোবাল খুলনার

0
211

খবর বিজ্ঞপ্তি:
খুলনা মহানগরীর অন্যতম প্রবেশদ্বার রূপসা সেতুর নীচ দিয়ে খুলনা শিপইয়ার্ড হয়ে রূপসা ট্রাফিক মোড় দিয়ে এই রাস্তা খুলনা শহরে প্রবেশ করেছে। এই রাস্তায় অনেক গুলো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের অন্যতম জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান খুলনা শিপইয়ার্ড, সেভেন রিংস সিমেন্ট ফ্যাক্টরি, একই রাস্তায় লবনচরায় র‌্যাব-৬, বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর সোলাম, রূপসা রেলসেতু, বিভিন্ন চিংড়ি প্রক্রিয়াজাত কোম্পানি, জুট মিল, আধুনিক রাইস মিল, ফুড ফ্যাক্টরি, স-মিল, বন্ধকৃত দাদা ম্যাচ কোম্পানি, বাংলাদেশ ম্যাচ কোম্পানি, খুলনা অক্সিজেন, কোকাকোলা ডিপো সহ কয়েকটি কলেজ, স্কুল, বিভিন্ন ব্যাক্তিগত প্রতিষ্ঠান, ক্লিনিক, সহ বর্ধিঞ্চু এ অঞ্চলে লক্ষাধিক মানুষ বসবাস করে। জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন এখানে যেতে হয় বহু মানুষের। খুলনার অন্যতম প্রবেশদ্বার হওয়ায়, হাজার খানিক বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে এই রাস্তায়। আজ গ্লোবাল খুলনার আহবায়ক শাহ মামুনুর রহমান তুহিন সরেজমিন এসব রাস্তা গুলোর ভয়াবহ চিত্র তুলে এনেছেন। প্রথম দূর্ভোগ শুরু হয় রূপসা ট্রাফিক মোড়ে রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা ইজিবাইক, মহেন্দ্র, রিকশা, ভ্যান ইত্যাদির কারণে। রূপসা ট্রাফিক মোড় থেকে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, রূপসা ষ্ট্রান্ড রোড, রূপসা ঘাট এলাকা, দাদা ম্যাচের আগ পর্যন্ত চার রাস্তা জুড়েই রাস্তার শতকরা আশিভাগ জায়গা জুড়ে দাড়িয়ে থাকে ইজিবাইক, রিকশা, ভ্যান। একজন দুইজন ট্রাফিক পুলিশ ধুলাবালি, অ-স্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যেও কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। একদিকে ক্লিয়ার করলে, অন্যদিকে আবারও দাঁড়িয়ে থাকে। দাদা ম্যাচের সামনে থেকে রূপসা সেতু পর্যন্ত ৩.৭৮ কিলোমিটার রাস্তার অধিকাংশই ভয়ানক ভাবে ভাংগাচোরা। কোথাও কোথাও ২ থেকে ৩ ফিট গর্তের সৃষ্ট হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন গোণের সময় রূপসা নদীর জোয়ারের পানিতে এই রাস্তা হাটু পর্যন্ত ডুবে যায়। প্রতিদিনই সেখানে বিভিন্ন দূর্ঘটনা ঘটছে। সন্তান সম্ভবা, মেরুদন্ডের সমস্যা বা অন্যান্য জটিল রোগে ভোগা মানুষ এই রাস্তায় চলাচল করলে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে। এছাড়াও ধুলো বালি মিশ্রিত ধুলোর কুয়াশায় সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে পড়বে। কেডিএ ৪ লেন প্রকল্পের টেন্ডার ২/১ মাসের মধ্যে হওয়ার কথা থাকলেও কাজ শুরু হতে ৬/৭ মাস লাগতে পারে। আর তাতে জনদূর্ভোগ আরও কয়েক গুণ বাড়বে। তাই সাময়িক সংস্কার করে এই দূর্ভোগ কমানোর আশু এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন গ্লোবাল খুলনার আহবায়ক শাহ মামুনুর রহমান তুহিন, ডক্টর ডাঃ মোঃ আলীমুজ্জামান, ডাঃ বিশ্বাস আকতার হোসেন, রফিকুল ইসলাম চৌধুরী হাসান, আবু জাফর মিয়া, মোহন শেখ, ডাঃ হাসানুর রহমান সুমন, ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, আল মাসুদ, গোলাম রব্বানী রাজা, শাহ আরিফুর রহমান, আর্কিটেক্ট শেখ হাফিজুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, মশিউর রহমান, মানস মন্ডল, দাস পুষ্পক কুমার, শাহ মোঃ জিয়াউর রহমান স্বাধীন, শাহ মোঃ আমানত, আল মাসুম সবুজ, রাজু আহমেদ, বাপ্পি ইসলাম, মোঃ কামরুল হুদা, নিলু মোল্লা সহ নেতৃবৃন্দ।