নগরীতে এস এম ইলেকট্রনিক্স’র প্রতারনা ব্যবসা রমরমা

0
1308

এমএ আলী, নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনাটাইমস:
নগরীর জিরো পয়েন্টে এস এম ইলেকট্রনিক্স নামক একটি অবৈধ্য  প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে লটারির মাধ্যমে সাধারন মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছে। এই প্রতারক চক্রের হোতা মো: দেলোয়ার হোসেন। সে জিরো পয়েন্ট মোড়স্থ বিসমিল্লাহ সুপার মার্কেটে এস এম ইলেকট্রনিক্স নামক একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে পরিচালানা করে অাসছেন। তার প্রতিষ্ঠানে তিন জন মহিলা ও চার জন  পুরুষ শ্রমিক কাজ করে। তারা অত্র এলাকায় ও শহরের বিভিন্ন বাসা বাড়িতে টিকিট বিক্রয় করে যার মূল্য ১০০ টাকা।
গ্রাহকরা প্রতিটা টিকিট র্স্কাচকাড ঘষলেই পন্য পচ্ছেন, কিন্তু সে পন্যের কোন নিশচয়তা নেই এবং অতিরিক্ত টাকা দিয়ে গ্রাহকদের নিতে হচ্ছে নকল পন্য।
এই বিষয় গ্রাহক আঃ রব ও আরমানের অভিযোগ করে প্রতিবেদককে বলেন, আমরা ১০০ টাকার বিনিময়ে স্ক্রার্স কার্ডটি সংগ্রহ করি, কিন্তু পন্য নিতে এলে নকল পন্য হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে। গ্রাহক নকল পন্য নিতে অস্বীকার জানালে স্ক্রাচ কার্ডটি বাতিল বলে গণ্য করা হচ্ছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শহরের ও গ্রামের বাসাবাড়িতে যেয়ে সাধারন মানুষকে লোভ দেখিয়ে বা বোকা বানিয়ে হাজার হাজার কার্ড বিক্রি করে প্রতারক চক্রটি হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। এতদস্বত্ত্বেও এই বিষয়টি দেখার যেন কেউ নেই?
সূত্রে আরো জানায়, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোঃ দেলোয়ার হোসেন ক্রেতাদের বোকা বানিয়ে ও কর ফাঁকি দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তার এই অবৈধ ব্যবসা।
এর ফলে খেটে খাওয়া মানুষ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। অবশেষে ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা অভিযোগের করেন হরিনটানা থানায়। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ প্রতিষ্ঠাটির মালিক কে ডাকা হলে দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত না হয়ে, প্রতিষ্ঠানের সহকারী মোঃ সামসুল হক কে থানায় পাঠিয়ে দেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির সহকারী মোঃ সামসুল হক পুলিশ ও ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতাদের কে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। পুলিশকে সন্ধ্যার সময় তাদের কাগজপত্র দেখাবে বলে থানা থেকে চলে যান। এই রিপোর্ট লেখার আগ পর্যন্ত পুলিশকে তাদের বৈধ্য কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।
এ বিষয় হরিণটানা থানার অফিসার ইনচাজ নাসিম খান বলেন, গতকাল (রবিবার) রাতে এস এম ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠাটির মালিকের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং তাকে এই প্রতারনা ব্যবসা বন্ধ করতে বলা হয়েছে।