দৌলতপুর-শাহ্পুর সড়কে হঠাৎ করে ইজিবাইকের ভাড়া বৃদ্ধিঃ যাত্রী সাধারণের ভোগান্তি চরমে

0
410

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
হঠাৎ করে জনসাধারণকে জিম্মি করে ইজিবাইকের চালকেরা ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। যাত্রীসাধারণের সাথে ইজিবাইক চালকদের সাথে কথাকাটা-কাটিসহ নানা ধরনের বাকবিতন্ড সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দৌলতপুর- শাহ্পুর এলাকায় চলাচলরত ইজিবাইকের যাত্রীদের কাছ থেকে এ অভিযোগ উঠে এসেছে।
শরিফুল ইসলাম জানান, সোমবার সকালে আড়ংঘাটা বাজার থেকে ইজিবাইকে উঠি, আমাকে নিয়ে দৌলতপুর মুড়িপট্টি এলাকায় নামিয়ে দেয়। শরিফুল ভাড়া বাবদ ৫ টাকা দিলে ইজিবাইক চালক আরো ২ টাকা দাবি করে। এ নিয়ে শরিফুলের সাথে ইজিবাইক চালকের মধ্যে শুরু হয় কথাকাটা-কাটি। শরিফুল ইসলাম ন্যায্য ভাড়া হিসেবে ৫ টাকার বেশী দিতে নারাজ। আর ইজিবাইকের চালক জনসাধারণকে হঠাৎ করে জিম্মি করে ২ টাকা বেশি পাওয়ার আশায় ছাড়তে নারাজ। এ ধরনের অভিযোগ করেন, আড়ংঘাটা এলাকার শহিদুলের ছেলে রহিম। সে জানান, তার কাছ থেকে ইজিবাইক চালক বেশি টাকা দাবি করায় উভয়ের মধ্যে কথাকাটা-কাটি ঘটনা ঘটে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইজিবাইক চালক জানান, দৌলতপুর- শাহ্পুর সড়কের মধ্যে ইজিবাইক চালাতে হলে, সমিতির নেতাদের কাছ থেকে লাইসেন্স বাবদ টোকেন নিতে বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। তাই আমরা বাধ হয়ে জনসাধারনের উপর ভাড়া বাড়িয়ে দিতে বধো হচ্ছি। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, দৌলতপুর- শাহ্পুর সড়কে অধীনে যাদেরকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, তারায় শুধুমাত্র চলাচল করছে। লাইলেন্স নেওয়ারপর ভাড়া ৫ টাকা ছিল। এখন তারা ৫ টাকা ভাড়া ৭ টাকা দাবি করছে অধিক মুনাফার আশায়।
বিএল কলেজের ছাত্রী সুমি জানান, দৌলতপুর  থেকে শলুয়া ১০ টাকা ভাড়া নিলেও এখন ১২ টাকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে। না দিলে খারাপ ব্যবহার করছে।
খোঁজ নিয়ে আরো জানাগেছে, ইজিবাইক চালকেরা হঠাৎ ভাড়া বৃদ্ধি করার কারনে জনসাধারণ পড়েছে দারুণ সমস্যায়। ইজিবাইক চালকেরা ভাড়া বৃদ্ধি করায় প্রতিনিয়ত যাত্রীদের সাথে কথাকাটা-কাটি ঘটনা এখন নিত্য দিনের ঘটনা হয়ে দেখা দিচ্ছে। প্রতিনিয়ত চলাচলরত যাত্রী সাধারণের অবিলম্বে ইজিবাইক চালকদের ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয় দৌলতপুর- শাহ্পুর ইজিবাইক সমিতির সভাপতি শেখ মকবুল হোসেন বলেন, দৈঘ্য ১৫ বছর পর আড়ংঘাটা থেকে দৌলতপুর ৫ টাকা থেকে ২ টাকা বাড়িয়ে ৭টাকা করা হয়েছে এবং দৌলতপুর থেকে শলুয়া ১০থেকে ১২টাকা করা হয়েছে। কিন্তু স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে পূবের ভাড়া বলবোদ থাকবে।