দেশের জনগণ বিএনপিকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায়না : আ’লীগ

0
585

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, খালেদা এতিমের টাকা আত্মসাৎ করার দায়ে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন। বিএনপি’র পঁচন ধরেছে। তাই এদেশের জনগণ বিএনপিকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায়না। কারণ ২০০৫ সালে খালেদা জিয়া যখন তার ছেলেকে নিয়ে হজ্বে গিয়েছিল তখন ১৮৬টি সুইটকেস নিয়েছিল। আর ওই সুইটকেসে ছিলো এ দেশের লুটপাটের টাকা।’ তিনি বলেন, বিএনপি যাকে মেয়র প্রার্থী মনোনীত করেছেন তিনি তার হলফনামায় সাড়ে ১৬ হাজার টাকা মাসিক আয় উল্লেখ করেছেন। ফলে তিনি মিথ্যাচার করেছেন।
তিনি বলেন, জামায়াত-বিএনপি ধর্মকে পুঁজে করে ব্যবসা করছে। তারা এলাকা বা মহল্লায় মহিলাদের দিয়ে তালিমের নামে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্তি করছে। তালিমের নামে করছে মিথ্যাচার। আরও বলেন, তালুকদার আব্দুল খালেকের আমনে খুলনা সিটি করপোরেশনের টেকসই উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ছিলো। কিন্তু গত ৫ বছরে কেসিসি’র কোনো উন্নয়ন হয়নি। ফলে ধিক্কার জানাচ্ছে নগরবাসী। আর এ কারণে আগামী ১৫ মে কেসিসি নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত হবে। ফলে সকলকে নির্ভয়ে কাজ করতে হবে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর গল্লামারী স্মৃতিসৌধ চত্বরে নগর ও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এ প্রতিনিধি সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ।
প্রধান বক্তা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এমপি তার বক্তৃতা বলেন, তালুকদার আব্দুল খালেক মেয়র নির্বাচিত হলে খুলনা উন্নয়নের জোয়ারে ভাসবে। তাই খালেকের বিকল্প নেই। তিনি বলেন, গাছ বাঁচলে ফল পাওয়া যাবে। তাই দলের সকলকে মেয়র প্রার্থী খালেকের জন্য কাজ করতে হবে। এরপর কাউন্সিলর প্রার্থীদের কাজ করতে হবে। আরও বলেন, দলের নেতা-কর্মীরা যদি শক্তহাতে নৌকার হাল ধরে তাহলে এমন কোনো অপশক্তি নেই এই নৌকাকে রূপসা নদীতে ডুবিয়ে দিবে। এদিকে এমপি এসএম মোস্তফা রশিদী সুজা তাকে টেলিফোনে বলেন, কেসিসি নির্বাচনের দিন তিনি উপস্থিত থাকবেন। এমপি আব্দুর রহমান বলেন, খালেকের ব্যাপারে ইতোমধ্যে জনমত হয়ে গেছে।
বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান এমপি।
নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘এ নির্বাচন আমার ব্যক্তিগত নির্বাচন না। এ নির্বাচন হচ্ছে আওয়ামী লীগের। তিনি বলেন, ‘আমি মেয়র পদে নির্বাচন করতে চাইনি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে দলের মেয়র প্রার্থী মনোনীত করেছেন। তিনি বলেন, আমাকে নির্বাচিত করলে সমগ্র নগরীকে তিলোত্তমা ও পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি খুলনাবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।’
আওয়ামী লীগ নেতা মফিদুল ইসলাম টুটুল, সাবেক ছাত্রনেতা অসিত বরণ বিশ্বাস ও যুবলীগ নেতা হাফেজ মোঃ শামীমের যৌথ সঞ্চালনায় বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটিন সদস্য এড. আমিনুল ইসলাম মিলন, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি ইসহাক আলী খান, সাবেক সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী এনায়েত হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এফ এম মাকছুদুর রহমান, নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নূর ইসলাম বন্দ, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জামাল, সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. মোঃ সাইফুল ইসলাম, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার অধ্যক্ষ আলমগীর কবির, জেলা কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষা দেলোয়ারা বেগম, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী অধ্যাপিকা হোসনেয়ারা রুনু, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বিএম জাফর, নগর কৃষক লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নূরুজ্জামান, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, নগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ, নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শেখ মোঃ মোশারেফ হোসেন, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক এড. সরদার আনিছুর রহমান পপলু, জেলা যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক এড. সেলিনা আক্তার পিয়া, নগর যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক এড. রাবেয়া ওয়ালী কবরী, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুজিবুর রহমান মুজিব, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ পারভেজ হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন ইমু। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফুল আলম খান, মুন্সি মাহাবুবুল আলম সোহাগ, এড. ফরিদ আহমেদ, মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু, জোবায়ের আহমেদ খান জবা, মোস্তফা সরোয়ার, কৃষক লীগ নেতা মানিকউজ্জামান অশোক, সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আলী আকবর, সাবেক ছাত্রনেতা শেখ মোঃ আবু হানিফ, নগর যুবলীগ নেতা শফিকুর রহমান পলাশ, এসএম আসাদুজ্জামান রাসেল, সরদার আবুল কাশেম ডাবলু, মোতালেব হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, রেহেনা পারভীন রিনা, ফরিদ শেখ প্রমুখ।