দাম বাড়লেও আগের দরেই আসছে ভারতীয় পেঁয়াজ

0
396

টাইমস প্রতিনিধি

ভারত পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর পরও বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। আগের দরেই আসছে ভারতীয় পেঁয়াজ।

রবিবার বেনাপোল বন্দরে ৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। সোমবার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হযেছে ৫০ মেট্রিকটন। তবে স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭৫ টাকায়। মার্কেটে পেঁয়াজ সরবরাহ কমিয়ে দেয়ায় দাম কমছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি মুনাফা লুটতে পেঁয়াজ গুদামজাত করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

বেনাপোলের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রাজু আহম্মেদ ও আবুল কালাম জানান, পূর্বের দরেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। তবে আড়ৎ ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের সরবরাহ কমিয়ে দেয়ায় খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে। দেশীয় মসলা পেঁয়াজের চাহিদা ও ঘাটতি মেটানো হয় উৎপাদিত পেঁয়াজসহ আমদানিকৃত পেঁয়াজ দিয়ে।

জানা যায়, বেনাপোল ও ভোমরা শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারত থেকে অধিকাংশ পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। হঠাৎ করে পেঁয়াজের আমদানি মূল্য বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছে ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। আগে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজের আমদানি মূল্য সাড়ে তিনশ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে করা হয় ৫০০ মার্কিন ডলার। এবার ভারতের বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৭২ টাকা। ফলে রপ্তানি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত সরকার।

প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ ৮৫০ মার্কিন ডলারের নিচে রপ্তানি করা যাবে না বলে জানায় ভারতের বাণিজ্য দপ্তর সংশ্লিষ্টরা। তবে সোমবার পর্যন্ত পূর্বে এলসিকৃত মূল্যে পেঁয়াজের চালান আসছে বলে জানান বন্দর সংশ্লিষ্টরা। ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধিসহ পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য বেড়ে গেলেও বেনাপোল বন্দরে আগের এলসি মূল্যে সামান্য কিছু পেঁয়াজ আমাদনি হচ্ছে। ভারতে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কোন নির্দেশনা হাতে পাননি বলে জানান বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ পরিচালক আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত আছে। দ্রুত পেঁয়াজের চালান খালাসে কাজ করছেন তারা।