দাকোপ উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের জনবল সঙ্কটে ব্যাহত হচ্ছে কার্যক্রম

0
1057

আজিজুর রহমান, দাকোপ থেকে :
খুলনার দাকোপ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তীব্র জনবল সঙ্কট থাকায় ব্যাহত হচ্ছে সেবার কার্যক্রম। ৪১ পদের বিপরীতে ২১টিই শূন্যপদ থাকায় চাষি পর্যায়ের কৃষককে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের কার্যালয় সুত্রে, কৃষি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি পর্যন্ত ৪১টি পদের বিপরীতে ২০জন কর্মকর্তা-কর্মচারি বর্তমান পদে কর্মরত থাকায় ২১টি পদ ফাঁকা রয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার একটি পদের বিপরীতে কর্মরত আছে একজন। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার রয়েছে দুটি পদ। সেখানে একজন কর্মরত থাকলেও আর একজনের পদ শূন্য। অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা ও সহকারি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার একটি করে পদ থাকলেও দুটির পদ সম্পন্ন ফাঁকা রয়েছে। উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তার পদ রয়েছে ২৮টি। সেখানে কর্মরত আছে মাত্র ১৪ জন। ফলে ১৪টি পদ শূন্য রয়েছে। অফিস সহকারির দুটি পদের বিপরীতে একজনও নেই। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি পর্যায়ে সাতটি পদের বিপরীতে কর্মরত আছে মাত্র দু’জন। পিপিএম ও নিরাপত্তা প্রহরী পদে দুইজনের বিপরীতে একজন করে থাকলেও বাকি সব কয়টি পদ শূন্য।

উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের অন্তত ২৫জন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা সময় মতো কৃষি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। চাষি পর্যায়ে উন্নত জাতের ফসলের চাষ সম্পর্কে সঠিক তথ্য ও পরামর্শ পাচ্ছে না।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, জনবল সঙ্কট থাকায় কার্যালয়ের কাজ করতে গিয়ে মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কৃষি সেবা সময় মতো কৃষকের দোরগোড়ায় পৌছাতে না পেরেই উভয়ের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

দাকোপ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান খান খুলনাটাইমসকে বলেন, প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে জনবল সঙ্কট রয়েছে। তিনি বলেন, জনবল সঙ্কটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে সকল কার্যক্রম। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় কৃষকরা অভিযোগ করে থাকেন। তিনি দাবি করে বলে শূন্যপদগুলোতে জরুরীভাবে নিয়োগ না দিলে এমন দুরাবস্থার নিরসন সম্ভব হবে না।