দাকোপে যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

0
782

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনাটাইমস :
খুলনার দাকোপ উপজেলার বানিশান্তায় এক যুবককে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বানিশান্তা হাওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশের মধ্যবিল এলাকা থেকে ওই যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত ওই যুবকের নাম সুব্রত মণ্ডল(২৭)। তিনি পেশায় একজন মোটরসাইকেল চালক ছিলেন। সুব্রত উপজেলার বানিশান্তা ইউনিয়নের ঢাংমারি গ্রামের হৃদয় মণ্ডলের ছেলে। কে বা কারা তাঁকে হত্যা করেছে, সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছেন না কেউ। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে অনেকেই।

নিহতের স্ত্রী মাধবী মণ্ডল বলেন, রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বানিশান্তা বাজারে নিজেদের মুদি দোকানে বসেছিল সুব্রত। রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনে কল আসলে, কথা শেষে মোটরসাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। রাত হলেও বাসায় না ফিরলে মোবাইলে কল করলে বন্ধ পাওয়া যায়। পরে আত্মীয়-স্বজনের কাছে খোঁজ নিয়েও তাঁর কোনো সন্ধান মিলেনি।

নিহত সুব্রতর বন্ধু নাজিম সরদার জানান, রাতে এক সঙ্গে দোকোনে ছিলাম। একসময় সুব্রত মুঠোফোনে কথা শেষ করে বেরিয়ে যায়। তখন আমরাও বাড়িতে চলে আসি। এরপর রাত ১২টার দিকে সুব্রতর বাবা ফোনে বলে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে খোঁজাখুজি করে সন্ধান না পেলেও রাত দুইটার দিকে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি মধ্যবিল এলাকায় পাওয়া যায়। তারপর ভোর পাঁচটার দিকে একই স্থানে সুব্রতকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, স্থানীয় লোকজনের কাছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সুব্রতর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ বিষয়ে নিহতের বাবা হৃদয় মণ্ডল সোমবার সন্ধ্যায় বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামী করে দাকোপ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে দাকোপ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুঠোফোনে খুলনাটাইমসকে বলেন, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুব্রতর গলায় ও শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কী কারণে কারা তাঁকে হত্যা করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।