তেরখাদায় ৪৬ জন আর্সেনিকোসিস রোগী : ওষুধ নেই সরকারি হাসপাতালে

0
534

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনাটাইমস:
জেলা সদরের উত্তরে তেরখাদা উপজেলায় ৩৬জন পুরুষ আর ১০ নারী আর্সেনিকোসিস রোগে ভুগছে। আর্সেনিকমুক্ত পানি পানের পরার্মশ ও ব্যবস্থাপত্র ছাড়া সরকারি হাসপাতালে আর কোন স্বাস্থ্য সেবা নেই। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই রোগের প্রতিষেধক এন্ট্রি অক্সিডেন্ট নামক ওষুধ বরাদ্ধ নেই। এ অবস্থা চলছে গত ৫ বছর ধরে। উপজেলায় ৮০ শতাংশ অগভীল নলকূপের পানি আর্সেনিকযুক্ত।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলেছে খড়বাড়িয়া গ্রামের শওকত আলীর স্ত্রী রাহিলা বেগম, ইখড়ী গ্রামের হুমায়ন কবীরের স্ত্রী মুন্নী, শালিকদাহ গ্রামের ঈমান উদ্দীন শিকদারের পুত্র রাজু শিকদার, আরজ আলী শেখের স্ত্রী শাহিদা বেগম, নাচুনিয়া গ্রামের আতিয়ার রহমান খাঁর পুত্র কবির খাঁ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ বছর যাবৎ চিকিৎসা সেবা নিতে আসেনা। এই পরিবারগুলোর অভিযোগ সরকারি হাসপাতালে ওষুধ মেলেনা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আরিফ আহমেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, এ রোগে আক্রান্তদেও আর্সেনিবমুক্ত পানি পান করার পরামর্শ এবং ব্যবস্থাপত্র দেয়া হচ্ছে। এ্ও প্রতিষেধক এন্ট্রি অক্সিডেন্ট নামক ওষুধ বরাদ্দ নেই। সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ি উপজেলার ৪৬ নারী-পুরুষ আর্সিনিকোসিস রোগে ভুগছে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: মিলন ফকির তথ্য দিয়েছেন, এখানকার ৮০ শতাংশ অগভীর নলকূপ আর্সেনিবযুক্ত। উপজেলার ৫০ শতাংশ মানুষ বিশুদ্ধ খাবার পানি সংকটে ভুগছে।
অধিদপ্তরের মাসিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৬ ইউনিয়নে ২ হাজার ৮১৭ টি নলক’পে মধ্যে ২ হাজার ৫৯৮টি চালু রয়েছে। অকেজো নলকূপের মধ্যে ২শ’টি অগভীর ও ১৪টি গভীর। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে উপজেলা সদও, রামমাঝি, পারোখালি, ফিলফানগর, আটলিয়া, আড়পাঙ্গাশিয়া, কোদলা, আদমপুর, আদালতপুর, শালিকদাহ ও বলরধেৃানা গ্রামে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট
উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসে তথ্য অনুযায়ী ৬ ইউনিয়নে ১ লাখ ১৬ হাজার ৭০৯ জন মানুষের বসবাস।
কালিয়া উপজেলার নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম কায়েস জানান, তেরখাদা সংলগ্ন কালিয়ার ৪টি ইউনিয়নে ৭২ শতাংশ এবং লোহাগড়া উপজেলায় ৫২ শতাংশ অগভীর নলক’পে আর্সেনিক রয়েছে।
বাগেরহাট নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, কচুয়া, চিতলমারী, মোড়েলগঞ্জ, যশোরের চৌগাছা ও শার্শা আসের্নিক কবলিত।#