তালুকদার আব্দুল খালেকের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে পাগলের প্রলাপ করছেন মঞ্জু

0
602

স্টাফ রিপোর্টার :
খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট শেখ হারুনুর রশীদ বলেন, তালুকদার আব্দুল খালেকের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পাগলের প্রলাপ করছেন। সাম্প্রতিককালে তিনি বিভিন্ন ধরণের উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন। গতকাল শনিবার দুপুর ২টায় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে তাৎক্ষণিক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হারুনুর রশীদ আরও বলেন, আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের প্রধান সমন্বয়কারী, সাবেক ছাত্রনেতা ও আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেনসহ নির্বাচন সম্পর্কে নানা ধরণের বিরূপ মন্তব্য করছেন। ৭৫’র পরবর্তী সময়ে সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে খুলনার ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এস এম কামাল হোসেন। তখন তিনি খুলনা সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গ্রামের বাড়ি হিসেব করলে খুলনা থেকে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর বাড়ির চেয়ে এস এম কামালের বাড়ি অনেক নিকটে। তিনি অতিথি পাখি বা উড়ে এসে জুড়ে বসেননি।


তিনি আরও বলেন, এই শহরের মানুষ জানেন মঞ্জু সর্বহারাদের নেতৃত্বে ছিলেন। তিনি জঙ্গিদের নেতা এটা তার কথায় নতুন করে প্রমাণিত হলো। মঞ্জুর এ আচরণ আমাদের সাথে বা সাধারণ মানুষের সাথে করলে কেউ মেনে নিবেনা। তিনি নিজের দলকে নিয়ে নোংরা খেলায় মেতেছিলেন। তার আচরণের সাথে বিএনপির বিতর্কিত নেতা যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদেরের অনেক মিল আছে।
শেখ হারুন বলেন, গণমাধ্যমের সামনে তার পায়ের উপর পা তুলে বসা নিজেকে জঙ্গি হিসেবে দাবি করা, মিথ্যাচার করা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। জামায়াত ইসলামী নেতা এড. শাহ আলমকে নিয়ে তিনি জঙ্গিবাদের কথা বলবেন একাই স্বাভাবিক। বিএনপি জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের জন্মদাতা এটা খুলনার সবাই জানেন। নজরুল ইসলাম মঞ্জু যে খুলনাসহ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থ’ী, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের নেতা তিনি গত শনিবার সকালে তার বাসভবনে সাংবাদিকদের সামনে তা আবার স্বীকার করেছেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা এড. সুজিত অধিকারী, আবুল কালাম আজাদ, এড. মোঃ সাইফুল ইসলাম, এড. ফরিদ আহমেদ, মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, জোবায়ের আহমেদ খান জবা, জাহাঙ্গীর হোসেন খান, অধ্যাপক মিজানুর রহমান, মফিদুল ইসলাম টুটুল, অসিত বরণ বিশ্বাস, শফিকুর রহমান পলাশ প্রমুখ।