ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শুরু হচ্ছে

0
370

টাইমস রিপোর্ট: জি-টু-জি ভিত্তিতে ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শিগগির শুরু হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে আজ বুধবার বেইজিংয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এবং নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের বোর্ড চেয়ারম্যান মি. রুয়ান গুয়ান নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

চূড়ান্ত নকশা অনুমোদনের পর ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উড়াল সড়কটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু হয়ে ইপিজেড-চন্দ্রা ইন্টারসেকশনে শেষ হবে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য হবে ২৪ কিলোমিটার। উভয় পাশে চারলেনের ১৪ দশমিক ২৮ কিলোমিটার সংযোগ সড়কও নির্মিত হবে।

উড়াল সড়কে আরও থাকছে ১০ দশমিক ৮৪ কিলোমিটার দীর্ঘ র‌্যাম্প, নবীনগর ইন্টারসেকশনে ১ দশমিক ৯১ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভার, বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুসারে ২ দশমিক ৭২ কিলোমিটার সেতু ও ১৮ কিলোমিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার কাজ।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার নয় কোটি ১৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৪ শতাংশ সুদে ১০ হাজার ৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ঋণ দেবে চায়না এক্সিম ব্যাংক। বাকি অর্থায়ন করবে সরকার। মোট ব্যয়ের দুই হাজার কোটি টাকা সংস্থান রাখা হয়েছে ৩৭ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসন খাতে।

২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন মেয়াদে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রকল্প সাহায্যের দুই হাজার ২০ কোটি টাকাসহ মোট তিন হাজার ৮১৪ কোটি টাকার প্রয়োজন হবে।

সেতু বিভাগ সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মূল্য উদ্দেশ্য ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী আশুলিয়া অংশের যানজট নিরসন করা। সফলভাবে উড়াল সড়কটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার সঙ্গে ৩০টি জেলার সহজ সংযোগ স্থাপিত হবে। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাও হবে যানজটমুক্ত। পাশাপাশি যানজটমুক্ত হবে আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়া-বাইপাইল-চন্দ্রা এলাকা।