ঢাকায় স্টিভ রোডস

0
765

স্পোর্টস ডেস্কঃ

চন্ডিকা হাথুরুসিংহে চলে যাবার পর থেকে কোচবিহীন বাংলাদেশ। দেশের মাটিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ, এবার আফগানিস্তান সফর সব জায়গাতেই হেড কোচ ছাড়াই খেলতে হয়েছে টাইগারদের। হচ্ছে হবে করেও এখন পর্যন্ত নতুন কোচের সন্ধান মিলেনি। এর মধ্যে হঠাৎ ঢাকায় আসার গুঞ্জন ইংলিশ কোচ স্টিভ রোডসের। তিনিই নাকি হবেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ। কিছুদিন আগে এমনটিই জানিয়ে ছিলো ইএসপিএন ক্রিকইনফো। রোডসের বাংলাদেশ দলের নতুন কোচ হওয়ার সম্ভাবনার বিষয়টি জানিয়েছেন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপনই। তবে নিশ্চিত করেননি তিনি। আগামী ১১ জুনের মধ্যে বেশিরভাগ তথ্য সবার জানা হয়ে যাবে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন পাপন। অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন স্টিভ রোডস। বিসিবির সঙ্গে আজই সাক্ষাত করার কথা রয়েছে তার। এর আগে গত মঙ্গলবার বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামুদ্দিন চৌধুরী সুজন সাংবাদিকদের বলেন, স্টিভ রোডস আমাদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই সে ঢাকায় আমাদের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন বলে আমরা আশা করছি। আমরা এরইমধ্যে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। ২০১৯ বিশ্বকাপ এবং ২০২০ সালে ওয়ার্ল্ড টি-২০ নিয়ে তার পরিকল্পনা জানতে চাই আমরা। স্টিভ রোডস বর্তমানে উস্টারশায়ারের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট পদে কাজ করছেন। ১৯৮৯ সালে ওয়ানডে অভিষেকের পর দলের হয়ে ৯টি ম্যাচ খেলেন। পাঁচ বছর পর টেস্ট অভিষেক ক্যারিয়ারে ১১টি ম্যাচে নামেন রোডস। মূলত প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে দূতি ছড়িয়েছেন এই উইকেট রক্ষক। ৪৪০ ম্যাচে প্রায় ১৫ হাজার রান করেছেন। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৪৭৭ ম্যাচে ৪ হাজার ৩৬৩ রান রয়েছেন রোডর্সের। বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে একমাত্র সাকিবেরই আগে এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের সঙ্গে কাজ করেছেন। প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ২০১০ সালে কাউন্টি দল উস্টারশায়ারের হয়ে খেলেন বাংলাদেশ বর্তমান টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক। সে সময় রোডস ছিলেন দলটির ডিরেক্টর অব ক্রিকেট। সাবেক এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান অবশ্য উস্টারশায়ারের কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ২০১৬ সালে রোর্ডসকে জাতীয় দলের স্টাফ হিসেবেও নিয়োগ দেন। বিসিবির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পরেই বোঝা যাবে ৫৩ বছর বয়সী এই কোচের সঙ্গে মাশরাফি-সাকিবদের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ। উল্লেখ্য রোডসের আগে বাংলাদেশে এসে সাক্ষাৎকার দিয়ে গেছেন রিচার্ড পাইবাস ও ফিল সিমন্স। টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনস অনুযায়ী দু’জনের কাউকেই মনে ধরেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাদের।