ডুমুরিয়ায় মন্দির ও হাটের জন্য পিতার দানীয় জমিতে পুত্রের বাঁধা!

0
241

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি:
ডুমুরিয়া মাগুরখালী এলাকায় পিতার দানীয় জমিতে মন্দির ও হাট নির্মান কাজে বাঁধা দিচ্ছে পুত্ররা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহৎ স্বার্থে পূত্রের বাঁধার বিষয়টি মেনে নিতে পারছে না এলাকাবাসি। অবশেষে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে বিষয়টি। এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায় গত ১৯৮২ সালের ১৪ জুন উপজেলার আলাদিপুর গ্রামের মৃত নবীন মন্ডলের পুত্র সুনিল কুমার মন্ডল খাস খতিয়ান ভুক্ত শুখ নদীর ১ একর জমি বন্দোবস্ত দলিল মুলে ভুমিহীন হিসেবে প্রাপ্ত হন।কিন্তু শুখ নদী প্রবাহমান থাকায় ওই জমিতে কখনো দখল পাননি তিনি। এমতবস্থায় ২০০০ সালে ৯ ডিসেম্বর তিনি ওই জমির চৌহদ্দি উল্লেখ করে ০.২৫ একর জমি মন্দির ও উন্নয়ন মুলক কাজে ব্যবহারের জন্য প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান ও আলাদিপুর হাট কমিটির সভাপতি তারক চন্দ্র ভৌমিকের নিকট চুক্তিপত্র মূলে হস্তান্তর করেন। যাহা ভবিষ্যতে আমার কোন ওয়ারেশগণ দাবী করিলে তাহা অগ্রাহ্য বলে বিবেচিত হবে।সম্প্রতি ওই স্থানে মন্দির ও হাট স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহন করেছে এলাকাবাসি। কিন্তু বাবার দেয়া দানের প্রতি বৃদ্ধাাংগুলি দেখিয়ে তার পুত্র অঞ্জনওরফে ননী মন্ডল, রঞ্জন কুমার মন্ডল ও রথীন্দ্রনাথ জমিটি নিজেদের দাবি করে উঠে পড়ে লেগেছে।এতে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে জনস্বার্থে নির্মানাধীন মন্দির ও হাট নির্মান কাজে। ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় মাগুরখালী ইউপি চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ সানা বলেন,জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ওই জমিসুনিল মন্ডলের নামে বন্দোবস্ত হয়।কারণ যখন বন্দোবস্ত হয় তখন থেকে আজাবদি নদীটি প্রবাহমান রয়েছে। এছাড়াও ওই পরিবার ভুমিহীন নয়। তৎকালিন সময় সেটেলমেন্ট কর্মকর্তাদেরসঙ্গে যোগসাজশে সম্পূর্নভাবে নদীর জমি বন্দোবস্ত হয়েছে। ২০১৮-১৯অর্থ বছরে শুক নদী খননের মাটি ফেলে তার দানীয় ২৫ শতক জমি ভরাট করা হয়।সেই জমিতে গ্রামবাসীর উদ্যোগে মন্দির ও হাট স্থাপনের উপযোগী করারকাজ চলছে। বাকী জমি এখনো জলাশয়ের মধ্যে।চুক্তিপত্র দলিলের স্বাক্ষী এবং জমির চৌহদ্দির পুর্বপাশে বসবাসকারী সুভাষ চন্দ্র মন্ডল জানান, আমার দাদা যে জমি দান করে গেছেন, সেই জমিতে বাঁধাদেওয়া খুবই দুঃখজনক ব্যাপার।