ডুমুরিয়ায় পশ্চিম বিলপাবলায় বিদ্যুতের খাম্বা স্থাপনে বনবিভাগের বাঁধা

0
1217

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি :  ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নে পশ্চিম বিলপাবলা রাস্তায় সামাজিক বনায়ন হুমকীর ফলে পল্লী বিদ্যুতের খাম্বা পাতার সময় বনবিভাগের বাঁধা পড়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলা বন কর্মকর্তা ও সামাজিক বনায়নের সভাপতি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদেরকে বাঁধা দিল তারা কাজ বন্ধ করে রাখে। সরজমিনে গিয়ে এলাকাবাসী ও সংশ্লিষ্ট বনায়নের কর্তপক্ষ সুত্র জানা যায়, উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম বিলপাবলা কালভার্ট হতে খামারবাটি ঠাকুরদাসের বাড়ি পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার ওয়াপদা রাস্তায় এলাকার উপকার ভোগী নিয়ে ২০১১-১২ অর্থ বছরে সামাজিক বনায়ন করা হয়। বনায়নে বিভিন্ন প্রজাতির রোপিত গাছ বেশ বড় হয়ে উঠছে। সম্প্রতি উক্ত এলাকার চর হাসানখালী বস্তার মিল হতে পশ্চিম বিল পাবলা পর্যন্ত ১.৬৩৮ কিঃমিঃ ইটের সোলিং রাস্তার পাশদিয়ে বৈদ্যুতিক লাইন নির্মানের বরাদ্দকৃত কাজ শুরু করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বৈদ্যুতিক খাম্বাগুলো একবারই ইটের রাস্তার হ্যাজিংয়ের পাশে পাতায় সামাজিক বনায়ন ব্যাপক হুমকীতে পড়েছে। যাহা বাস্তবায়ন হলে সমস্ত বনায়নের কয়ক’শ গাছ সাবাড় হয়ে যাবে। এতে একদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সুফলভোগীরা, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য হারাবে ওই অঞ্চলের। পশ্চিম বিলপাবলা সামাজিক বনায়নের সভাপতি প্রকাশ বিশ্বাস বলেন, ঠিকাদার তার সুবিধামত জায়গায় খাম্বা স্থাপন করছে। এভাবে বনায়নের মধ্যে খাম্বা পুঁতে বৈদ্যুতিক তার টানলে বনায়ন ধংস হবে। আমাদের সাথে কোন আলোচনা ছাড়াই ইতোমধ্যে ২০/২৫টি গাছের মাথা কর্তন করেছে ওরা। যে কারনে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ঠিকাদার ইকরাম হোসেন বলেন, আমরা প্রকল্পের নকশানুযায়ী কাজ করছি। কিন্তু বন কর্তৃপক্ষ বাঁধা দিয়েছে। ফলে আলোচনা সাপেক্ষে কাজ করা হবে। খুলনা পল্লী বিদ্যুত সমিতি অফিসার ইন্সপেক্টর মহিনুল ইসলাম বলেন, ‘রাস্তার পাশে তেমন জায়গা নেই। তাছাড়া ব্যাক্তিগত মালিকানাধীন জায়গায় কেউ খাম্বা পুঁততে দেয়না। যেকারন সরকারি জায়গার উপর দিয়ে আমাদের কাজ করে যেতে হয়।’ এ প্রসঙ্গে উপজলা ফরেস্টার মোঃ ফুরকানুল আলম বলেন, ‘আলোচনা ছাড়াই ঠিকাদাররা ইচ্ছামতভাবে খাম্বা স্থাপন করছে। বনায়ন রক্ষার স্বার্থে আমি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।