ডুমুরিয়ায় আলাইপুর নদীতে নির্মিত বাঁশের ব্রীজ যান চলাচলের অনুপযোগী : ভোগান্তীতে এলাকাবাসি

0
625

এস রফিক,ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি:
ডুমুরিয়ায় গুটুদিয়া ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত আলাইপুর নদীতে এলাকাবাসির উদ্যোগে নির্মিত বাঁশের
ব্রীজটি এখন কয়েক গ্রাম বাসির পারাপারের একমাত্র মাধ্যম।এটি লোক পারাপারের উপযোগী থাকলেও
গাড়ী পারাপারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।ফলে ওই এলাকার কৃষিজ পন্য,ব্যবসায়ীদের মালামাল বাজার জাত ও সাইকেল,ভ্যানসহ মোটরসাইকেল পারাপার অতি কষ্টের হয়ে দাড়িয়েছে।এভাবে যুগের পর যুগ পেরিয়ে গেলেও স্থায়ী কোন ব্যাবস্থা হয়নি আজও। আর আদৌ এর স্থায়ী সমাধান হবে কি না তা জানা নেই এলাকাবাসির। জনপ্রতিনিধিদের দেয়া আশ্বস ও প্রতিশ্রুতি এখন একমাত্র সম্বল এমনটি জানিয়েছেন
্স্থানীয় অনেকেই। তবে উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তর বলছে বিষয়টি আমলে রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা যায় গুটুদিয়া ইউনিয়নের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত আলাইপুর নদীর দু‘পাড় দিয়ে আলাদিয়া,বিলপাবলা,পূর্ব-বিল পাবলা,্উত্তর বিলপাবলা,পশ্চিম
বিলপাবলা,ধাইগাসহ কয়েকটি গ্রাম গড়ে উঠেছে।যেখানে হাজার হাজার লোকের বসবাস। এলাকাবাসির
ডুমুরিয়া,কৈয়া বাজার,খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতের জন্য এ নদী পারাপারের বিকল্প নেই। আর
বিশেষ করে স্কুল-কলেজে যেতে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত পারাপার হতে হয় নদীটি। কথা হয় এলাকার প্রবীন ব্যক্তি পূর্ব-বিলপাবলা এলাকার পঞ্চানন দাস,উত্তম কুমার সরকার,দেবাষীষ কুমার মন্ডল,অঞ্জনা দাস
,কার্তিক মন্ডলসহ অনেকের সাথে। তারা অভিমান ও অভিযোগ করে জানান জন্ম থেকেই জ্বলছি আমরা।
এত বড় নদীতে প্রথমে নৌকা,এরপর বাাঁশের সাঁকো শেষ বাঁশের ব্রীজ।তাও আবার নিজেদের উদ্যোগে।
এ নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই কারো। নির্বাচন এলে ভোটের তাগিদে এলাকায় আসা প্রার্থীরা বরাবরই আশ্বস ও প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। আর বাস্তবতা যাই হোক না কেন এটাই আমাদের একমাত্র সম্বল। তারা আরো জানান এলাকাটি কৃষি বান্ধব হওয়ায় এখানে বছরে ১২ মাসই কৃষিজ পণ্য উৎপাদন হয়ে থাকে।উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাড়ীতে উঠানো ও বাজারজাত করণে এ নদী পারাপারের বিকল্প নেই।তাছাড়া এলাকার ছেলে মেয়েরা স্কুল-কলেজে যেতে ব্রীজটি পার হতে প্রতিনিয়ত,ঘটে দূর্ঘটনা।এটি অতি গুরুত্ব পূর্ন পারাপারের স্থান হলেও এ দিকে নজর রাখে না কেহ।তাই কষ্টের কথা বলে কি লাভ ? কথা হয় ইউপি সদস্য আনিচুর রহমানের সাথে তিনি জানান বিষয়টি বহুবার উদ্ধতন মহলে জানানো হয়েছে।জানিনা কবে এর স্থায়ী সমাধান হবে। উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস এ প্রসংগে বলেন বিষয়টি আমলে রয়েছে উপজেলা চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর এ বিষয়ে জানান ইতমধ্যে এলাকাটি পরিদর্শন করা হয়েছে।আশা করি তাড়াতাড়ি এর একটা ব্যবস্থা হবে।কথা হয় মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দের সাথে।তিনি জানান এখানে যত শিঘ্রই সমম্ভব স্থায়ী সমাধান করা হবে,বিষয়টি মাথায় আছে।