ডুমুরিয়ার বানিয়াখালী বাজারে ভয়াবহ অগিকান্ডে ১২টি দোকান পুড়ে ছাই : ৪০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

0
299

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি:
ডুমুরিয়া উপজেলার বানিয়াখালী বাজারে মঙ্গলবার বিকালে ভয়াবহ অগিকান্ডে ১২টি দাকান পুড়ে ছাই হয়েছে। এতে বিভিন্ন দোকানে থাকা নগদ টাকাসহ ৪০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ভুষ্মিভুত হয়েছে। পর স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। খবর পেয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসান, থানা অফিসার ইনচার্জ হাবিল হোসেন ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ রবিউল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। কারণ উদঘাটনের ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিক ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, উপজেলার শরাফপুর ইউনিয়নের বানিয়াখালী বাজারে সাপ্তাহিক হাটের দিন মঙ্গলবার বিকালে ৩টা ১০ মিনিটে বাজারের ফটি হাউস থেকপ আগুনের সুত্রপাত ঘটে। তবে কি কারণে অগিকান্ড ঘটেছপ তা কেউ স্পষ্ট জানাতে পারেনি। ওই সময় বৈদ্যুতিক সংযোগও বন্ধ ছিলো। ক্ষতিগ্রস্থ চায়ের দোকানদার বদিয়ার রহমান রাজু জানান, ‘রবিউলের তুলার দোকান থেকে এ আগুন ধরে। তখন দোকনদার রবিউল দোকান ছিলেন না। তবে তার দোকান খোলা ছিলো। আগুন আমার চায়ের দোকান একদম পুড়ে সকল মালামাল ছাই হয়ে গেছে।’ আগুনের ললিহান একে একে অপূর্ব শীলের অরণ্য এন্টারপ্রাইজ নামে ৩টি ফার্নিচারের দোকান, হুমায়ুন ফকিরের মেশিনারিজর দোকান, হুমায়ুন কবিরের বিসমিল্লাহ সেননটারীর দোকান, আব্দুল হাইয়ের ইলেক্ট্রানিক্স দোকান, উত্তম দাসের ইলেক্ট্রানিক দোকান, হারুন বিশ্বাসের ইলক্ট্রানিক্স দোকান, জাকির হোসেনের ক্যাটলমেট স্টার, শ্রমিক ইউনিয়ন অফিস ও সমিরন গোলদারোর ফলের দোকান আগুন লেগে সম্পূর্ন ভষ্মিভুত হয়ে যায়। খবর পেয়ে উপজলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুল হামিদ জোয়াদ্দার নেতৃত্বে দমকল বাহিনীর কর্মীরা স্থানীয় জনগনের সহায়তা নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে স্বক্ষম হয়।

এ প্রসঙ্গে উপজলা চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর বলেন, খবর পেয়েই আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং দেখি বাজারের লোক ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিভানোর কাজে ব্যস্ত। মাত্র ৪০ মিনিটের ব্যবধানে ১২টি দোকান পুড়ে একেবারেই ছাই হয়েছে। জানতে পারি আগুনের সুত্রপাত ফটি হাউস থেকে হয়। সবমিলে তাদের ক্ষতির পরিমান প্রায় ৪০ লক্ষাধিক টাকা হবে। এরমধ্যে নগদ এক লক্ষাধিক টাকাও ছিলা। তবে আগুন লাগার কারণ উদঘাটনের জন্য ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ও বাজারের ২জন ব্যবসায়ী। তবে ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিকদেরকে উপজেলা পরিষদের তহবিল হতে আর্থিক সাহায্য দেয়ার জন্য আশ্বস্ত করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান।