ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারা সংশোধনের দাবি

0
449

বিজ্ঞপ্তি: রুর‌্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন-আরজেএফ আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা জাতির কাছে সত্য তুলে ধরতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পথ রূদ্ধকারী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারা সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, রাজনীতিক, মানবাধিকার কর্মী ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ দাবি তোলেন। বক্তারা সংসদের অধিবেশনে এ ধারা সংশোধন করে সাংবাদিকদের সুরক্ষার দাবি জানান।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আলোচিত ৯টি ধারা সংশোধের দাবিতে (২০ অক্টোবর) শনিবার স্থানীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা এ দাবি তোলেন। মানববন্ধন ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আরজেএফ’র খুলনা জেলা শাখার আহবায়ক মুহাম্মদ নূরুজ্জামান।
বক্তারা বলেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে গুপ্তচর বৃত্তি বলা অসৌজন্যমূলক। সংবিধান ও তথ্য অধিকার আইনের সাথে সাংঘর্ষিক। মানববন্ধনে এ আইনের ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৩ ধারা সংশোধনের দাবি করা হয়। এছাড়া এ আইনের ‘ক’ ধারা ১৭, ১৯, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৬, ২৭, ২৮, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ ধারায় অপরাধসমূহ আলমযোগ্য ও অজামিনযোগ্য, যা ন্যায় বিচারের পরিপন্থী। জাতির কাছে সত্য তুলে ধরতে এবং সংবিধানের ৩৯’র ‘খ’ ধারা অনুযায়ি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সংসদ অধিবেশনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের উল্লিখিত ধারাসমূহ সংশোধনের জোর দাবি করা হয়। আর তা নাহলে সাংবাদিক সমাজ দেশব্যাপী এ আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।
মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সাপ্তাহিক কোলাহল সম্পাদক এ্যাড. ড. মো. জাকির হোসেন। বক্তৃতা করেন সিনিয়র সাংবাদিক কাজী মোতাহার রহমান বাবু, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা, মানবজমিনের ব্যুরো প্রধান মো. রাশিদুল ইসলাম, সিপিবি নগর শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু, সিনিয়র সাংবাদিক ওয়াহিদুজ্জামান বুলু, প্রেস ক্লাব খুলনার মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, নিরাপদ সড়ক চাই-নিসচার জেলা সভাপতি হাছিবুর রহমান হাছিব, প্রেস ক্লাব খুলনার যুগ্ম মহাসচিব আব্দুর রাজ্জাক রানা, খুলনা নাগরিক আন্দোলনের চেয়ারম্যান শেখ তোবারক হোসেন তপু, সদস্য সচিব এসএম দেলেয়ার হোসেন।
মানববন্ধনে অংশ নেন আরজেএফ’র খুলনা জেলা শাখার সদস্য সচিব এমএ কবির মুন্সি, নিসচার সাধারণ সম্পাদক এসএম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, আরজেএফ’র সদস্য মো. জামাল হোসেন, মো. কামরুল হোসেন মনি, নাজমুল হাসান, মো. বেল্লাল হোসেন সজল, খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটির নেতা শেখ বদর উদ্দীন, মো. শফিউদ্দিন, মুক্তি মাহমুদুল হক শিকদার, নূরুল আমীন, মো. রায়হান মোল্লা, আরজ আলী, হারুন- অর-রশীদ, সাইমুম মোর্শেদ, মাহমুদ হাসান আকাশ, মো. মান্না, এসএম মাহবুবুর রহমান, মো. আবুল হাসান, শফিকুল ইসলাম শাহীন, মো. আলমগীর, মোসলেহ উদ্দীন, মো. আমিরুল ইসলাম বাবু, মো. শাজাহান মুন্সি, কলিং হোসেন আরজু, হাসানুর রহমান তানজির, মো. সেলিম খান, কামরুল ইসলাম কাজল, এমএ আজিম, জিএম রাসেল ইসলাম, আহাদ আলী, সাইফুল্লাহ তারেক, শংকর কুমার বিষ্মু, মিহির রঞ্জন, গাজী মাকুল উদ্দীন, লিমন আহমেদ প্রমুখ।