জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে গুণী ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান

0
396

তথ্য বিবরণী : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি মঙ্গলবার বিকেলে খুলনা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে ২০১৬ ও ২০১৭ সালের ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এসময় মন্ত্রী বলেন, গুণীজনদের সম্মান না করলে গুণীজন তৈরী হয় না। তাই গুণীজনদের সম্মান করতে হবে সকলের। একটি দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি সে দেশের পরিচয় বহন করে। শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা মানুষের মনকে গতিশীল করে এবং জীবনকে পাল্টে দেয়। তিনি বলেন, সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা ও প্রতিভা বিকাশে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
খুলনার জেলা প্রশাসক ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি মোঃ আমিন উল আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন গণপূর্ত বিভাগ খুলনার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জি এম এম কামাল পাশা। স্বাগত বক্তৃতা করেন জেলা কালচারাল অফিসার সুজিত কুমার সাহা। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির এহডক কমিটির সদস্য মকবুল হোসেন মিন্টু এবং অধ্যাপক আলমগীর কবির। গুণীজন ব্যক্তিদের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, মোখলেসুর রহমান বাবলু এবং বেবী খানম।
২০১৬ সালে কন্ঠসঙ্গীতে প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, নাট্যকলায় বীনা মজুমদার, লোক সংস্কৃতিতে সুশান্ত ব্যানার্জী, আবৃত্তিতে সাহিদা আক্তার পুতুল (মরণোত্তর) এবং নৃত্যকলায় মোঃ মোস্তাক সেলিম পপলু এবং ২০১৭ সালে কন্ঠসঙ্গীতে এ বি এম শওকত আলী, নাট্যকলায় মায়া বিশ্বাস, সৃজনশীল সংস্কৃতি গবেষক সুশান্ত সরকার, লোকসংস্কৃতিতে বেবী খানম এবং আঞ্চলিক সৃজনশীল সংগঠন খুলনা নাট্য নিকেতন-কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
পরে মন্ত্রী সম্মাননাপ্রাপ্ত নয় জন গুণীশিল্পী ও একটি সংগঠনের হাতে ক্রেস্ট, সনদপত্র, ১০হাজার টাকার চেক ও মেডেল তুলে দেন।#