জেলহত্যা দিবসে আ’লীগ নেতৃবৃন্দ

0
421

বিজ্ঞপ্তি: আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে নিশ্চিহ্ন করতে ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে এবং (৩ নভেম্বর) জাতীয় চার নেতাকে কারাগারে নির্মমভাবে কাপুরুষোচিত ভাবে হত্যা করে। খুনীরা ভেবেছিলো বঙ্গবন্ধু’র হত্যার পরে জাতীয় এই চারনেতা বেঁচে থাকলে তাদের রক্ষা হবে না। সেকারনেই গ্রেফতার করে কারাগারের মধ্যে নির্মমভাবে হত্যা করে। কিন্তু খুনীরা ভাবে নি যে বঙ্গবন্ধু’র যোগ্য উত্তর সুরী দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে পুর্নগঠিত এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে এ সকল খুনীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে পারবে। আজ আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধী, ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু হত্যা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচারসহ সকল হত্যার বিচার শেষ করেছেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, ৩ নভেম্বরের বিচার চলছে। এই বিচার সম্পন্ন করে জাতিকে কলংকমুক্ত করতে হলে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। সেজন্যে সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নৌকার পক্ষে স্ব স্ব এলাকায় কাজ করতে হবে।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি। বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান এমপি, জাতীয় কমিটির সদস্য এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, সহ-সভাপতি এ্যাড. কাজী বাদশা মিয়া, জেলা আওয়ামী লীগ ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. ফারুক আহমেদ ও কামরুজ্জামান জামাল। সভা পরিচালনা করেন, মহানগর আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ হায়দার আলী, এ্যাড. এম এম মুজিবর রহমান, কাজী এনায়েত হোসেন, গাজী মোহাম্মদ আলী, বেগ লিয়াকত আলী, মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, বিএমএ সালাম, এ্যাড. রজব আলী সরদার, শ্যামল সিংহ রায়, মকবুল হোসেন মিন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, শেখ ফজলুল হক, জেড এ মাহমুদ ডন, জোবায়ের আহমেদ খান জবা, ফেরদৌস আলম চান ফরাজী, রফিকুর রহমান রিপন, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, হালিমা ইসলাম, অধ্যা. আলমগীর কবীর, কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, অধ্যা. মিজানুর রহমান, মোকলেছুর রহমান বাবলু, হাফেজ মো. শামীম, মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মদ, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, স. ম. রেজওয়ান, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নু, চেয়ারম্যান অধ্যা. আশরাফুজ্জামান বাবুল, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, তসলিম আহমেদ আশা, শহিদুল ইসলাম বন্দ, আবুল কাশেম ডাবলু, মাহাবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, কাউন্সিলর শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, অধ্যা. রুনু ইকবাল, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, হুমায়ূন কবীর ববি, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, শেখ মো. আবু হানিফ, অধ্যা. হোসনে আরা রুনু, কাউন্সিলর লুৎফুন নেছা লুৎফা, হাজী নুরুজ্জামান, মনিরুজ্জামান খান খোকন, রনজিত কুমার ঘোষ, মনিরুজ্জামান সাগর, মীর বরকত আলী, মো. মোতালেব হোসেন, অধ্যা. জুলফিকার আলী জুলু, খান সাইফুল ইসলাম, কাউন্সিলর কাজী আবুল কালাম আজাদ বিকু, কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, কাউন্সিলর কনিকা সাহা, কাউন্সিলর পারভীন আক্তার, জেলা পরিষদ সদস্য এ্যাড. জেসমিন সুলতানা জলি, পারভেজ হাওলাদার, মো. ইমরান হোসেন, ফেরদৌস হোসেন লাবু, শেখ আব্দুল আজিজ, আব্দুল হাই পলাশ, মুন্সি আইয়ুব আলী, গাজী মোশাররফ হোসেন, শেখ মো. ফারুক হোসেন, সরদার আব্দুল হালিম, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, শেখ এশারুল হক, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, মো. শিহাব উদ্দিন, গোপাল চন্দ্র সাহা, মীর মো. লিটন, মহাসিনুর রহমান আফরোজ, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, মুন্সি নাহিদুজ্জামান, এস এম হাফিজুর রহমান হাফিজ, নয়মী বিশ্বাস সাথী, আবুল হোসেন, মো. ইদ্রিস আলী, মো. মিজানুর রহমান জিয়া, মো. মোক্তার হোসেন, তোতা মিয়া ব্যাপারি, মাসুদ হোসেন সোহান, মাহমুদুল হাসান শাওন, আহনাফ অর্পন, রুম্মান আহমেদ সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভার শুরুতেই বঙ্গবন্ধুসহ জাতিয় চারনেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। আলোচনা সভা শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জাতিয় চার নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।