জিয়া ও মোস্তাকের নির্দেশে জাতীয় চার নেতাকে করা হয়েছিলো : আ’লীগ

0
507

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আওয়ামী লীগকে নি:শেষ করতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যদিয়ে একটি মাষ্টার প্লান করেছিলো জিয়া মোস্তাক গংয়েরা। পরবর্তীতে মেজর জিয়ার নেপথ্য নিদের্শে মোস্তাক গংয়েরা জেলে জাতীয় চার নেতাতে হত্যা করেছিলো। মেজর জিয়া এবং মোস্তাকের নির্দেশে আইজি প্রিজনকে জেলগেট খুলে দিতে বাধ্য করা হয়েছিলো। তারপরে হাবিলদার মোসলেউদ্দিন জেলা কারাগারে প্রবেশ করে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বিএনপি জনগণের স্বার্থে দল করে না। তারা নিজের স্বার্থ রাজনীতি করে। ’৭৫ বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হলে জিয়াকে হত্যা হতে হতো না। জিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের রক্ষা করতে বিভিন্ন ভাবে পুরস্কৃত করেছে। হত্যাকারীদের রাষ্ট্রদুত করেছেন। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আজও ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই, তারা জাতির পিতার কন্যাকে হত্যার করতে তৎপর। সেজন্যে ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করতে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে আগামী নির্বাচনে বিজয়ের মধ্যদিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে হবে।
৩ নভেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান এমপি। আরও বক্তৃতা করেন, আওয়ামী লীগ নেতা জাতীয় কমিটির সদস্য এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, গাজী আব্দুল হাদি, এমডিএ বাবুল রানা, আবুল কালাম আজাদ কামাল, কামরুজ্জামান জামাল, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, তসলিম আহমেদ আশা, এ্যাড. সরদার আনিসুর রহমান পপলু, রনজিত কুমার ঘোষ, হাজী নুরুজ্জামান, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল। সভাপরিচালনা করেন মহানগর আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ।
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রিয় আওয়ামী লীগ নেত্রী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মোল্লা জালাল উদ্দিন, বেগ লিয়াকত আলী, মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, এ্যাড. রজব আলী সরদার, এ্যাড. সুজিত অধিকারী, নুর ইসলাম বন্দ, মকবুল হোসেন মিন্টু, শেখ ফজলুল হক, ফেরদৌস আলম চাঁন ফারাজী, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, হালিমা ইসলাম, অধ্যাপক আলমগীর কবীর, কামরুল ইসলাম বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, মফিদুল ইসলাম টুটুল, ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, নুর এ আলম জোয়াদ্দার, টিএম আরিফ, রফিকুল ইসলাম পিটু, মোহাম্মদ আলী, আবুল কাশেম মোল্লা, মনিরুজ্জামান সাগর, বিএম সজীব, জামিল খান, এ্যাড. রাবেয়া ওয়ালী করবী, নয়মী বিশ্বাস সাথী, মঈনুল ইসলাম নাসির, চৌধুরী মিনহাজ উজ্জামান সাগর, চ. ম. মুজিবর রহমান, জাহিদুল হক, শেখ মো. ফারুক হোসেন, মো. মোতালেব মিয়া, ফয়েজুল ইসলাম টিটো, আতাউর রহমান শিকদার রাজু, মীর মো. লিটন, সরদার আব্দুল হালিম, এশারুল হক, মো. শিহাব উদ্দিন, সাহেবুর রহমান পিটু মোল্লা, জাকির হোসেন হাওলাদার, এ্যাড. শামীম মোশাররফ, মুন্সি নাহিদুজ্জামান, মোয়াজ্জেম হোসেন খান, শফিকুর রহমান পলাশ, মোর্শেদ আহমেদ রিপন, শাকিল আহমেদ, গোলাম নবী, মো. রিয়াজ হোসেন, সরদার জাকির হোসেন, এ্যাড. তমাল কান্তি ঘোষ, নুরীনা রহমান বিউটি, আলেয়া সাঈদ, কনিকা সাহা,নজরুল ইসলাম খোকন, এস এম মনির হোসেন, মুজিবুর রহমান মুজিব, তাজমুল হক তাজু, হিরক কুমার গাইন, আরাফাত মিয়া, শাহীন আলম, আহনাফ অর্পন, মো. রাজু হোসেন, মশিউর রহমান বাদশা, মেহেদী হাসান মান্না, রুম্মান আহমেদ, মেহেদী হাসান সুজন, শাহরিয়ার নেওয়াজ রাব্বি, হাফিজুল ইসলাম হাফিজ, জাহিদুর রহমান জাহিদ, আবিদ আল হাসান, আব্দুস সালাম সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভা শেষে মরহুমদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন, মাওলানা রফিকুল ইসলাম।