জনপ্রিয়তা থাকার পর দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত বিএনপি’র চার কউিন্সিলর

0
332

নিজস্ব প্রতিবেদক : জনপ্রিয়তা থাকার পর দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বিএনপি’র বর্তমান চার কউিন্সিলর। এ নিয়ে দলীয় শিবিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। যার বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে আসন্ন নির্বাচনে এমন আশংকা মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে। মনোনয়ন বঞ্চিতরা হলেন,১২ নং ওয়ার্ডে মনিুরুজ্জামান মনি,১৬ নং ওয়ার্ডে আনিসুর রহমান বিশ্বাস,৩০ নং ওয়ার্ডের আমান উল্লাহ আমান ও ২৭ নং ওয়ার্ডের কেএম হুমায়ূন কবির। তবে এরা সবাই নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন। দলীয় কোন্দলের কারণে তারা মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন বলে জানাগেছে।
খোজ নিয়ে জানা যায়,সিটি কর্পোরেশনের গত নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত নির্বাচিত কাউন্সিলরদের মধ্য থেকে ৩ প্রভাবশালীকে আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। তারা হলেন, ১২ নং ওয়ার্ডে মনিুরুজ্জামান মনি,১৬ নং ওয়ার্ডে আনিসুর রহমান বিশ্বাস ও ৩০ নং ওয়ার্ডের আমান উল্লাহ আমান। এরা প্রত্যেকে ইতোপূর্বে একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন এবং স্ব-স্ব ওয়ার্ডে জনপ্রিয়। নগর বিএনপি’র সদস্য,সাবেক ছাত্র ও যুবদল নেতা মনিরুজ্জাম মনি গত নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোটে কাউন্সিল নির্বাচিত হন। এবার তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। দেয়া হয়েছে বিগতদিনে তিনি যাকে পরাজিত করেছেন ওয়ার্ড সভাপতি এইচ এম আবু সালেককে। ব্যাংক ডিফলডার হিসেবে গত নির্বাচনে তার মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়। খোজ নিয়ে জানা যায়,নগর বিএনপি সভাপতি মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও সংগঠনের নগর শাখার কোষাধ্যক্ষ এস.এম আরিফুর রহমান মিঠুর সঙ্গে প্রকাশ্যে রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। মনিরুজ্জাম মনি আরিফুর রহমান মিঠু সমর্থক হওয়ায় তাকে এবার মনোনয়ন দেয়া হয়নি। সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র একাধিকবার সর্বোচ্চ ভোট নির্বাচিত হয়েও মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ১৬ নং ওয়ার্ডের আনসুর রহমান বিশ্বাস। ৩০ নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত কাউন্সিলর ও সাবেক ছাত্রনেতা কেএম হুমায়ূন কবিরকে দেয়া হয়নি মনোনয়ন। দেয়া হয়েছে ওয়ার্ড সভাপতি হাসান মেহেদী রিজভীকে। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকার পরও হুমাযূনকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি সংগঠনের নগর সভাপতির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি থাকা।
সাবেক সংসদ সদস্য আলী আজগর লবি সমর্থক হওয়ায় তাকেও মনোনয়ন বঞ্চিত হতে হয়েছে। একই অভিযোগের কারণে মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে ৩০ নং ওয়ার্ডের আমান উল্লাহ আমান। তবে এই ওয়ার্ডে এখন পর্যন্ত কাউকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়নি। ওপেন রাখা হয়েছে ৩০ নং ওয়ার্ড। এদিকে প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে বিএনপির ভেতর। যা আসন্ন নির্বাচনে বিরুপ প্রভাব পড়তে পারে বলে দলীয় মাঠ কর্মীরা আশংকা করেন।