ছাত্রলীগের সম্মেলনে আলোচনায় জহিরুল কবির জহির

0
530

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাধীনতাসহ দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্বদাতা ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন আগামী ১১-১২ মে। ছাত্রলীগের ইতিহাসে এবারই প্রথম বিদ্যমান কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্মেলনের তারিখ ঘোষনা হয়েছে। সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়ার আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির সহ-সম্পাদক জহিরুল কবির জহির।

দক্ষিনাঞ্চলের বরগুনা জেলায় জহিরুল কবির জহির জন্মগ্রহণ করেন।মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বরগুনাতেই শেষ করেন।এরপর ঢাকা কলেজ থেকে এম.এ সম্পন্ন করেন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন কোর্সে এল.এল.বি তে অধ্যায়নরত। জহিরুল কবির জহির ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত। ইতিমধ্যে ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ পদ বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ও সহ-সভাপতি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর দায়িত্ব কৃতিত্বের সাথে পালন করেন। এছাড়াও জহিরুল কবির জহির মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক:বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বরগুনা সদর উপজেলা ছাত্রলীগের পদে ছিলেন।

এদিকে আসন্ন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম সম্মেলনকে ঘিরে নেতা কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করছে।কিন্তু বিগত সম্মেলনের প্রক্রিয়ায় “সিন্ডিকেট “এর প্রভাব ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সেজন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘সমঝোতার ভিত্তিতে সিলেকশনের”ইঙ্গিত দিয়েছেন।
গত বুধবার (২মে) সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন -নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীদের আবেদন নেওয়া হবে। তালিকায় আসা আগ্রহীদের ডেকে সমঝোতা করা হবে। সমঝোতা হলে প্রেস রিলিজ করা হবে। সমঝোতা না হলে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে ভোট হবে। এসময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন -যাবতীয় তথ্য উপাত্ত যাচাই -বাচাই করেই নেতৃত্ব দেওয়া হবে।

অপরদিকে বুধবার থেকেই কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন বিতরন শুরু হয়েছে, চলবে ৫ মে রাত ৮ টা পর্যন্ত।

ছাত্রলীগ শীর্ষ পদ প্রত্যাশী জহিরুল কবির জহির বলেন-দীর্ঘ দিন ধরে ছাত্রলীগের জন্য পরিশ্রম করেছি।এবার শীর্ষ পদের জন্য আবেদন জমা দিয়েছি। পারিবারিক বংশ পরিচয় দেখে নতুন কমিটি নির্বাচন করা হোক। তবে গঠনতন্র ও নেত্রী (প্রধানমন্ত্রী) ইচ্ছা অনুযায়ী সবকিছু হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। এদিকে আওয়ামী ও ছাত্রলীগের কয়েকজন সাবেক নেতার সাথে কথা বলে জানা যায় -সামনে জাতীয় নির্বাচনসহ বেশ কিছু জাতীয় ও দলীয় বিষয়াদি বিবেচনা রেখে এবার খুব হিসেব -নিকেশ করা হচ্ছে। স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নিবেদিত প্রাণ এবং মেধাবী কর্মীদের দিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হবে। নেতৃত্ব বাছাইয়ে পরিবারের খোঁজ খবর নেওয়া হবে সেই সাথে সাথে দশম জাতীয় নির্বাচন বানচালে জামায়াত ও বিএনপির সন্ত্রাসী কর্মকান্ড প্রতিরোধে যারা মাঠে ছিল তাদেরই প্রাধান্য দেওয়া হবে।

নেতৃবৃন্দের কথার বিশ্লেষন করলে পরিরারের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন জহিরুল কবির জহির। জহিরুল কবির জহিরের ছোট চাচা খলিলুর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ -কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, সহ-সম্পাদক,সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছোট চাচী রোজিনা নাসরিন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদিকা এবং কুয়েত মৈত্রী হলের সভাপতি ছিলেন। জহিরুল কবির জহিরের ছোট ভাই ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল কবির বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং অধ্যায়নরত এবং সদস্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বরগুনা জেলা শাখা।সব দিক বিবেচনায় নেতৃত্ব পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন জহিরুল কবির জহির এমনটাই মনে করে বরগুনাবাসী।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সমস্ত গনতান্ত্রিক আন্দোলনে ভূমিকা রাখা এবং দেশরত্নের ঘোষিত ভিষন ২০-২১ বাস্তবায়নেরর লক্ষ্যে ও ৪১ সালের উন্নত সমৃদ্ধ ও সুখী বাংলাদেশ গড়ায় আগামী ছাত্রলীগ নেতৃত্ব কাজ করবে এমনটাই আশা করে তৃনমূল নেতৃবৃন্দ।