চুকনগরে ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের পায়তারাঃ যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা

0
336

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি:
চুকনগরে ক্রয়কৃত সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদের পায়তারা করছে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। দীর্ঘদিন ধরে উক্ত জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় এ শহরে সারাক্ষণ টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন মুহুর্তে এ নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। স্থানীয় ও ক্রেতাসূত্রে জানাগেছে, উপজেলার চুকনগর মৌজার ৫৫৭ খতিয়ানে এস.এ ২২৮ নং দাগে মোট জমি ৩৭ শতক এবং ৫৫৬ নং খতিয়ানে এস.এ ২২৯ নং দাগে জমি ১৪ শতক। এর মধ্যে শাহাজান খানের মোট ১৮.৫৬ শতক জমি ক্রয়সূত্রে মালিক হন। অপার গ্রহীতা গাজী রেজাউল ইসলাম একই দাগ খতিয়ানে ক্রয়সূত্রে মোট ৩২.৪৩ শতক জমির মালিক হন। খুলনা নগরীর গাজী রেজাউল ইসলাম তার সম্পত্তি থেকে ৩২২/০৭ নং দলিল মুলে তার স্ত্রী মনিরা খানম এর কাছে ১২.৭৫ শতক জমি বিক্রয় করেন। উক্ত জমি চাকুন্দিয়া গ্রামের শেখ মোসলেম উদ্দিনের পুত্র শেখ হেলাল উদ্দিন ৪৮৯৬/১৭ নং দলিল মুলে রেজাউলের কাছ থেকে ১২ শতক এবং রেজাউলের স্ত্রী মরহুমা মনিরা খানমের ওয়ারেশ গনের কাছ থেকে ৫৬৬৩/১৭নং দলিল মুলে ১২.৭৫ শতক জমি হতে ৯.৯৭ শতক জমি ক্রয় করেন। ফলে হেলালের খরিদকৃত জমি হয় ২১.৯৭ শতক। কিন্তু এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি শাহাজান খান হেলালের ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবর-দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়টি নিয়ে গত ২৩ডিসেম্বর আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডঃ প্রতাপ রায়ের আহবানে উভয়পক্ষ সহ স্থানীয় সাংবাদিক, ইউপি সদস্যবৃন্দ ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংশার লক্ষ্যে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এক পর্যায়ে শাহাজান খান হেলালকে ১২ ফুট ফ্রন্ট দিতে সম্মত হন। কিন্তু হেলাল কাগজ পত্র অনুযায়ী দাবীদার ২৪ ফুট ফ্রন্ট। পরে আলোচনায় উভয় পক্ষ স্থানীয় সরকারের মীমাংশাকে মেনে নিতে সম্মত হওয়ায় আগামীতে আরো একটি দিন ধার্য্য করা হয়। তবে এঘটনায় চুকনগর শহরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে মাঝে মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। যেকোন মুহুর্তে বড় ধরনের সংঘাত ঘটতে পারে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন এলাকার সাধারন মানুষ।