চুকনগরে অবৈধভাবে বিদ্যুতের মিটার স্থানান্তর করতে গিয়ে যুবকের করুন মূত্যু

0
497

ডুমুরিয়া প্রতিনিধি: চুকনগরে অবৈধভাবে বিদ্যুতের মিটার স্থানান্তর করতে গিয়ে এক যুবকের করুন মূত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের এ দূর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূতে জানাযায়, উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের সামছুর রহমান শেখের পুত্র আলতাফ হোসেন শেখ নিজের ভাইদের সাথে বিভিন্ন সময়ে ঝগড়া বিবাদের কারণে অন্যত্র বাড়ি নির্মান করেন। কিন্তু তিনি নতুন বাড়িতে বিদ্যুৎ নেয়ার জন্য পল¬ী বিদ্যুৎ অফিসে কোন আবেদন না করে তার ব্যবহৃত মিটারটি তার ভাইকে দিয়ে ভাইয়ের মিটারটি গোপনে তিনি নতুন বাড়িতে আনার পরিকল্পনা করেন। একারণে তিনি বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে একই গ্রামের অব্দার খাস জমির উপর বসবাসকারী দিনমজুর আফসার উদ্দিন গাজীর পুত্র আবু তাহের গাজীকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে আনেন। এলাকার লোকজন ঘুম থেকে ওঠার আগেই কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়াই আলতাফ হোসেন আবু তাহের ও তার স্ত্রী হোসনারা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে তার পুরনো বাড়িতে যান মিটারটি খোলার জন্য। দিনমজুর তাহের কোন ইলেকট্রিশিয়ান না হয়েও আলতাফের বু্িদ্ধমত্তার কাছে হার মেনে না বুঝেই মিটারের মেন সুইচের তার বের করার জন্য স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে নাট খুলে তারটি বের করার চেষ্টা করেন। কিন্তু এটি বের হতে কষ্টকর হওয়ায় তিনি তারটি হাত দিয়ে মুট করে ধরে টান দিলে তারের ভিতরের অংশ হাতে লাগে এবং কারেন্টের শক্তি তাকে ধরে রাখে। এসময় আলতাফ ও তার স্ত্রী হোসনারা বাঁশ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে তাকে কারেন্ট থেকে ছাড়ানোর চেষ্টার করে। ততক্ষনে আবু তাহের (২৫) মূত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এ সংবাদ দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এঘটনার পর থেকে সুচতুর ও মামলাবাজ আলতাফ বাড়ি থেকে সরে পড়ে এবং নিজেকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন স্থানে দেন দরবার শুরু করে। এদিকে নিহত তাহেরের দেড় বছরের শিশু পুত্র আসাদুল¬াহ পিতার মূত্যুতে মানুষের মুখের দিকে তাকাচ্ছে আর শুধু অঝোরে কাঁদছে। স্বামীকে হারিয়ে গর্ভবর্তী স্ত্রী ও সন্ত্নাকে হারিয়ে মাতা প্রলাপ বকছে। এব্যাপারে মাগুরাঘোনা পুলিশ ক্যাম্পের ইনজার্চ জাকারিয় হুসাইস বলেন,আপাতত ইউটি মামলা হয়েছে এবং নিহতের পরিবার মামলা করলে সেটাও বিবেচনায় আনা হবে। এরির্পোট লেখা পর্যন্ত লাশ পোষ্ট মর্ডানের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।