চালনা কেসি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকদের মানবেতর জীবনযাপন

0
530

দাকোপ প্রতিনিধি : খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলাধীন চালনা কেসি পাইলট মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকরা দীর্ঘ প্রায় ৩ মাস যাবৎ মাসিক বতন না পাওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।

খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, চালনা কেসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ড.অচিন্ত কুমার মন্ডল দীর্ঘ ২৫ বছর যাবৎ প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এরমধ্যে ১০ বছর পূর্বে কলজ শাখা পৃথকী করন হলে তিনি কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। সেই থেকে তিনি ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসাবে কোন বেতন ছাড়াই দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
আরও জানা গেছে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নিয়মিত কমিটি গঠনের পর ৩ জনের জাল স্বাক্ষরের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রিজাইডিং অফিসার মোসলেম উদ্দিন গঠনকৃত কমিটি বাতিল ঘোষনা করেন। পরে স্কুল কতৃপক্ষ অভিযোগটি সঠিক নয় বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফুল আলমের নিকট আবেদন করলে কোন তদন্ত না করে বরং রুপালী ব্যাংক চালনা বাজার শাখাকে এক চিঠি দিয়ে গত ৩ মাস যাবৎ স্কুলের শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন বন্ধ করে রেখেছে। ফলে শিক্ষক কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছে।

উল্লেখ্য, শিক্ষকেরা বেতনের জন্য বার বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট গেলে নির্বাহী কর্মকর্তা প্রতিস্বাক্ষর করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ অবদি তিনি বেতনের জন্য স্বাক্ষর করেননি। তাই বেতনও হয়নি ।
চালনা কেসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ প্রিন্সিপাল ড.অচিন্ত কুমার মন্ডল এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি খুলনা টাইমসকে বলেন, গত তিন মাস বেতন না পেয়ে শিক্ষক কর্মকর্তাদের অবস্থা শোচনীয় পর্যায়ে নেমেছে। বিষয়টি সুরাহা করতে মৎস প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি, স্থানীয় সংসদ সদস্য পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ আমিন উল আহসানের বারংবার স্মরণাপন্ন হলেও ফল মেলেনি। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের কাছে শিক্ষকরা গেলে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেতন পাওয়ার ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বাস দেন। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফুল আলম বেতনের ছাড়পত্র দেননি বলে জানা গেছে।