গভঃ ল্যাবরেটরি স্কুলের বিপদজনক ল্যামপোষ্ট : যেকোন সময়ে দূর্ঘটনার আশংকা

0
495

ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) প্রতিনিধি, খুলনাটাইমস:
খুলনা গভঃ ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের ক্যাম্পাসের বিদ্যুৎ লাইনের ল্যামপোষ্টের পোল গুলো বহু পুরাতন হওয়ায় লোহার পোলের গোড়ায় মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে ঝুকিপুর্ণ হয়ে পড়েছে। পোলগুলোর মধ্যে একটি পোলের গোড়ায় মরিচায় সম্পুন্ন নষ্ট হয়ে ভেঙ্গে পাশের গাছের উপর হেলে পড়েছে রয়েছে বছরের অধিক সময়ে। এই অবস্থায় বিদ্যালয়ের প্রায় ১২শত শিক্ষার্থীর জন্য বিপদজনক হয়ে দাড়িয়েছে চলমান এই বিদ্যুতের লাইনটি। স্কুুল কর্তৃপক্ষ বলছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়েও কোন কাজ হয়নি। অপরদিকে বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে তারা বিষয়টি জানেন না। দ্রত ব্যাবস্থা না নিলে যে কোন সময়ে দূর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, তেলিগাতী ফিডারের ফোরফোর্টির একটি বিদ্যুতের লাইন বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে মূল ভবনের পেছনে আবাসিক ছাত্রাবাসে এবং খেলার মাঠে মূল সড়কের পাশের বিদ্যুতের একটি লোহার পোল (খাম্বা) গোড়ায় মরিচা পড়ে ভেঙ্গে পাশের একটি গাছের উপর পড়ে বেধে রয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের চলাচলের পথে বিদ্যুতের চলমান লাইন হওয়ায় যে কোন সময়ে দূর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অবিযোগ দিলেও বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে বছরের অধিক সময় ধরে এভাবে পড়ে রয়েছে।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ জহুরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি অবহিত করে ২০১৭ সালের মার্চ মাসে খুলনা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ অফিসে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোন সমাধান হয়নি। বিদ্যালয়ের হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ঝুকি নিয়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে।
তিনি আরো বলেন, ঝড়ো বাতাসে যে কোন সময়ে এটি পড়ে বড় ধরণের ট্রজিডির জন্ম দিতে পারে। এ ব্যাপারে এই ফিডারের দায়িত্বে থাকা বিদ্যুৎ বিভাগে উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহনুর ইসলাম সাগর বলেন, আমি নতুন এখানে যোগদান করেছি বিষয়টি আমার জানা নাই। তবে বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে দেখে উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে ব্যাবস্থা নিবো।
এ ব্যাপারে খুলনা বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিঃ মামুনুর রহমান বলেন, বিষয়টি তার জানা নাই। তবে এক বছর আগে যদি অবিযোগ দিয়ে থাকে তা হাজার হাজার অভিযোগের মধ্যে কোথায় রয়েছে তা কিভাবে বলবো। স্কুল কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলে বিষয়টি দেখা হবে। অভিযোগ আর অভিযোগ অস্বীকার করার মধ্যে না থেকে জন গুরুত্বপুর্ণ এবং বিপদজনক বিষয়টির সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রæত এগিয়ে আসবে এমনটি আশা করছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকবৃন্দ।