গণগ্রেফতার চালিয়ে পতন ঠেকানো যাবেনা : বিবৃতি খুলনা মহানগর বিএনপির 

0
357

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ আজ এক বিবৃতিতে বলেন, দুদকের দায়ের করা বানোয়াট মামলায় দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায় ভাবে সাজা দিতে সরকার মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ রায়ের মাধ্যমে সরকার মূলত জনগনের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা থেকে বিরত রাখতে চায়। সামরিক স্বৈরশাসক এরশাদের পতন ঘটিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রবর্তন, সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অবদান রাখা দেশনেত্রীকে নিয়ে দলের নেতাকর্মীসহ আপামর জনসাধারণের মাঝে অন্য রকম আবেগ ও উৎসাহ বিরাজ করে। দেশনেত্রীকে কারারুদ্ধ করার আওয়ামী চক্রান্ত নিয়ে স্বভাবতই দেশ জুড়ে উদ্বেগ উৎকন্ঠার সাথে সাথে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে চরম ক্ষোভ। জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় নিত্য দিনের হাজিরার সময় লাখো লাখো নেতাকর্মীর স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও দীর্ঘ সময় রাজপথে অবস্থান এ কথার সত্যতা প্রমাণ করে।
বিবৃতিতে নগর বিএনপি নেতারা বলেন, সরকারের পাতানো মামলার রায় দেশের জনগন কোন ভাবেই মেনে নেবে না এবং তারা প্রয়োজনীয় প্রতিবাদ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। সরকার ও তার পেটোয়া পুলিশ বাহিনী জনগনের এই হৃদস্পন্দন ইতিমধ্যেই টের পেয়েছে। যে কারণে যে কোন মূল্যে যে কোন ধরনের প্রতিবাদ বিক্ষোভ প্রতিহত করতে এবং বিক্ষুব্ধ জনতাকে স্তব্ধ করতে তারা এরই মধ্যে দেশব্যাপি সাড়াশি অভিযানের নামে দলীয় নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার, বাড়ি বাড়ি তল্লাশির নামে তান্ডবলীলা শুরু করেছে। গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে ফেরার পথে গ্রেফতার হয়েছেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। শান্তিনগরের বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে খুলনা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে। গ্রেফতার হয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল। তছনছ করা হয়েছে হাবিব উন নবী খান সোহেল, শফিউল বারী বাবুর বাসভবন। সারা দেশে বিএনপির ত্যাগী পরীক্ষিত ও সাহসী কর্মীদের গ্রেফতার করছে পুলিশ।
নগর বিএনপির নেতারা এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ  ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিবাদ জানিয়ে লাভ নেই। কারণ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ছাড়া বিরাজমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটবে না। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারারুদ্ধ করার যে কোন ষড়যন্ত্র রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করার প্রস্ততি গ্রহণের জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানানো হয়।
বিবৃতিদাতারা হলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও কেসিসির মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাবেক এমপি কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, সৈয়দা নার্গিস আলী, মীর কায়সেদ আলী, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, শেখ মোশারফ হোসেন, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, খায়রুজ্জামান খোকা, স ম আব্দুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, ফখরুল আলম, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, ইকবাল হোসেন খোকন, আসাদুজ্জামান মুরাদ প্রমুখ।
এদিকে গণগ্রেফতারের ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন সভাপতি এ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান,  সিনিয়র সহ সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ গাজী আব্দুল হক, গাজী তফসির আহমেদ, খান জুলফিকার আলী জুলু, এ্যাড. এম এ আজিজ, মনিরুজ্জামান মন্টু, এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, মোস্তফা উল বারী লাভলু, জি এম কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, শামসুল আলম পিন্টু, আলী আসগর, এ্যাড. এ কে এম শহিদুল আলম, মুর্শিদুর রহমান লিটন, অহেদুজ্জামান রানা প্রমুখ। #