খুলনা মহানগর বিএনপির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত 

0
400

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেয়া বক্তব্যকে শুধু বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য নয়, সমগ্র জাতি এবং অবরুদ্ধ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য দিকনির্দেশনার মাইল ফলক বলে অভিহিত করেছেন খুলনা মহানগর বিএনপির নেতারা।
নগর বিএনপির সহ সভাপতি, উপদেষ্টা এবং সম্পাদকমন্ডলীর এক জরুরী সভা থেকে দেশনেত্রীর এই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার দেয়া ৬ দফা শর্ত মেনে নেয়ার আহবান জানানো হয়। সভায় বলা হয়, আগামীতে দেশে বিএনপিকে বাদ দিয়ে কোন নির্বাচন হবেনা। এমনকি এ ধরনের যে কোন চেষ্টা দেশের সাধারণ জনগনকে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিহত করবে।
৮ ফেব্রæয়ারী দুদকের দায়ের করা বানোয়াট রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার রায়ের দিন নির্ধারিত থাকার প্রেক্ষিতে দেশব্যাপি সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে করণীয় নির্ধারণে সোমবার দুপুর ১২ টায় কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার সভাপতি বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর শাখার সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, নির্বাহী কমিটির সভায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দিকনির্দেশনামুলক বক্তব্যে করণীয় ঘোষণা করা হয়েছে। বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সর্বোচ্চ সংখ্যক নেতাকর্মী সাধারণ জনগনকে উদ্বুদ্ধ করে রাজপথে শান্তিপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করবেন।
সভা থেকে বলা হয়, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির হাল ধরেন এবং দীর্ঘ ৩৫ বছর তিনি বিএনপির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি সফল নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। এ দেশের কোটি মানুষের কাছে জাতীয়তাবাদের দর্শনকে পৌছে দিয়েছেন। মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন উদ্দেশ্যপ্রনোদিত মামলার রায়ে তাকে সাজা দিয়ে রাজনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার চক্রান্ত করবে সরকার, আর বিএনপির নেতাকর্মীরা নিশ্চুপ বসে থাকবে- তা হতে পারেনা।
সভা থেকে বলা হয়, উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিএনপির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক অধিকার পালনে বিএনপি কর্মীরা কোন ধরনের ছাড় দেবেনা। সংঘাত নয়, সহিংসতা নয়, বিএনপির কর্মসূচি হবে শতভাগ শান্তিপূর্ণ। তবে পুলিশ প্রশাসনের কাছ থেকে কোন ধরনের অন্যায় আচরণ, কর্মসূচিতে বাঁধা প্রদান, নির্বিচারে গণগ্রেফতার করা হলে তা প্রতিরোধে দলীয় কর্মীরা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
সভা থেকে গত কয়েক দিনে নগরীর বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি পুলিশের তল্লাশি, গ্রেফতার, মহড়ার নামে ভীতি ছড়ানো, তল্লাশির সময় ঘর তছনছ করা এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে দুর্বব্যহারের তীব্র নিন্দা জানানো হয়। রবিবার দিবাগত রাতে পুলিশ ৩১ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম এবং ৩০ নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা আলাউদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে। সভা থেকে অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কেসিসির মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, শেখ খায়রুজ্জামান খোকা, শাহজালাল বাবলু, রেহানা আক্তার, স ম আব্দুর রহমান, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মাহববু কায়সার, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, মহিবুজ্জামান কচি, শফিকুল আলম তুহিন, আজিজুল হাসান দুলু, মুজিবর রহমান, ইকবাল হোসেন খোকন, এহতেশামুল হক শাওন, শেখ সাদী, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, কে এম হুমায়ুন কবীর, হাসানুর রশিদ মিরাজ, একরামুল হক হেলাল, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ ইমাম হোসেন, মাহবুব হাসান পিয়ারু, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, শরিফুল ইসলাম বাবু, হেলাল আহমেদ সুমন, আবু সাঈদ শেখ, রবিউল ইসলাম রবি, মোস্তফা কামাল, জি এম রফিকুল হাসান প্রমুখ।#