খুলনা বিভাগীয় জনসভায় পুলিশী বাঁধার কারণ জানতে চায় বিএনপি

0
265

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনের ৪র্থ দফা কর্মসূচি বিভাগীয় শহর খুলনায় জনসভা বানচাল করতে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের শৃঙ্খলা বিরোধী অপতৎপরতা, অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার, হাজার হাজার নেতাকর্মীর বাড়ীতে গিয়ে রাতে ঘুমান্ত মানুষকে জাগিয়ে গালিগালাজ করা, পোস্টার লাগাতে ও লিফলেট বিতরণকালে গ্রেফতার, ৮ মার্চ রাতে গ্রেফতার হওয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা এসএম কামাল হোসেনকে গ্রেফতার করে সদর থানায় গভীর রাত পর্যন্ত ঝুলিয়ে কেএমপি’র এক ডিসি’র উপস্থিতিতে মেঝেতে ফেলে বুট দিয়ে পাড়িয়ে অমানুষিক নির্যাতন করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ খুলনার পুলিশ কমিশনারকে প্রশ্ন করেছে বলেছেন, একজন রাজননৈতিক কর্মীকে কোন মামলা ছাড়াই ধরে নিয়ে পশুর মতো নির্যাতন করার অধিকার রাষ্ট্রের কোন আইনে পুলিশকে দেয়া হয়েছে কি না? জনসভার মৌখিক অনুমতি দিয়ে ১৪৪ধারা জারীর আওতার বাইরের মঞ্চ ও মাইক ছিনিয়ে নেবার অধিকার সদর থানার ওসি’র আছে কি না? রাজনৈতিক সমাবেশের মৌখিক অনুমতি দিয়ে সড়ক ও জনপথে কারফিউ জারী করে রাজনৈতিক কর্মী জনগনকে টানা- হেছড়া করে ভীতসন্ত্রস্ত করার নির্দেশ থানার ওসিদের দেয়া হয়েছে কি না? জনসভার মৌখিক অনুমতি দিয়ে ১৪৪ধারা জারি করে এর আওতার ব্যাখ্যা না করার এক এক কর্মীবার্তা এক এক ধরণের ব্যাখ্যা ও সিনিয়র সকল কর্মকর্তা ফোন না ধরে জনপ্রতিনিধি ও বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের অসম্মান করার অধিকার তাদের আছে কি না? কেডি ঘোষ রোডে জনসভা করার মৌখিক অনুমতি দিয়ে সদর থানার ওসি’র নির্দেশে মঞ্চ বানানো চৌকির গাড়ী তড়িয়ে দেয়া, মাইক বাঁধতে না দেয়া, তারকাটা দিয়ে রাস্তার দুই দিকে পথ আটকিয়ে দেয়া, হেরাজ মার্কেটের সকল গেট আটকিয়ে দেবার হুকুম দেবার নির্দেশ দেয়ার অধিকার ও কর্তৃব্য তার ছিলো কি না? পোস্টার ও লিফলেট বিলি করা ফৌজদারী আইনের কোন ধারায় অপরাধ? খালিশপুর থানার ওসি কর্তৃক কোন ঘটনা ছাড়াই থানায় গভীর রাতে ভূয়া নাশকতার মামলায় চালান দেয়া পুলিশের কর্তব্যে পড়ে কি না? খানজাহান আলী থানার ওসি কর্তৃক অহেতুক বিএনপি কর্মীদের গ্রেফতার করে জামাতের কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলায় চালান দেয়া ও জানাজা’র নামাজ আদায় করা মুসল্ল¬ীদের গ্রেফতার করার হুকুম তার উপরে ছিল কি না? ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেনকে গ্রেফতার করে সদর থানার ওসি ও কেএমপি’র এক বড়মাপের কর্মকর্তা কর্তৃক তার মাথা বুট দিয়ে থেতলে পশুর মতো নির্যাতন করার হুকুম কে দিয়েছিলো? তার তদন্ত ও বিচার হওয়া দরকার। মহানগর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ এই সকল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে।
একই সাথে মানবাধিকার হরন ও আইন বহির্ভূত ক্ষমতার অপব্যবহারকারী পুলিশ সদস্যদের দ্রæত অন্যত্র বদলী করার দাবি জানিয়েছে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, তা না হলে বিএনপি কর্মীরা হত্যাকান্ডের শিকার হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ এক সাথে খুলনা শহরের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভৎস ও সীমাহীন অত্যাচার, নিপীড়ন ও র্ববর যুগের রাষ্ট্রীয় চুড়ান্ত রূপ। আরও উলে¬খ করেন জনগনকে সবসময় সজাগ থাকার আহŸান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দ হলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা সভাপতি এ্যাড. শফিকুল আলম মনা, নগর সাধারন সম্পাদক ও কেসিসি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি, জেলা সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান প্রমুখ।#