খুলনা জেলা ও নগর বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি পালন

0
758

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, সরকারের পাতানো ফাঁদে পা দেবে না বিএনপি। আওয়ামী লীগের বা তার পেটোয়া বাহিনী পুলিশের কোন উস্কানী ও সাজানো-পাতানো ফাঁদে কাজ হবে না। বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারারুদ্ধ অবস্থায়ও নির্দেশ দিয়েছেন শান্তিপুর্ণ কর্মসূচি পালনের। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানেরও একই নির্দেশ, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি। তাই তালবাহানা না করে খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে বিভাগীয় জনসভা করার অনুমতি দিন। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির পরিবেশ সৃষ্টি করুণ। অন্যত্থায় আজকে যে কারাগারে ২০ দলীয় জোট নেত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেজা জিয়া বন্দী; ওই কারাগারে আপনাদেরও যাওয়া লাগতে পারে।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু’র সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচির প্রধান বক্তারার বক্তৃতায় বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল¬াহ বুলু বলেন, ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনে অংশ নিয়ে যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০দলীয় জোট কোন ভূল সিদ্ধান্ত নেয়নি; তা নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে আগামী জাতীয় নির্বাচনেই জনগন প্রমাণ দেবে। সাহস থাকলে দমননীতি পরিহার করে, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করুন। দেখা যাক-কাদের জনপ্রিয়তা কেমন; জনগন কি চায়।
অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু ও আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও কেসিসি মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মুশাররফ হোসেন, শেখ খায়রুজ্জামান খোকা, স ম আব্দুর রহমান, সৈয়দা রেহেনা ঈসা, ইকবাল হোসেন, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, জাহিদুল ইসলাম, ফকরুল আলম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, ইকবাল হোসেন খোকন, মহিবুজ্জামান কচি, গোলাম মওলা, শাহিনুল ইসলাম পাখী, শফিকুল আলম তুহিন, আব্দুর রহিম বক্স দুদু, আজিজুল হাসান দুলু, সাদিকুর রহমান সবুজ, মুজিবর রহমান ফয়েজ, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাত আহসান পরাগ, সাজ্জাত হোসেন তোতন, কেএম হুমায়ুন কবির, হাসানুর রশীদ মিরাজ, শেখ ইমাম হোসেন, সেখ কামরান হাসান, মাসুদ হোসেন রনি, নিয়াজ আহম্মেদ তুহিন, মাহবুব হাসান পিয়ারু, শফিকুল ইসলাম হোসেন, চৌধুরী নাজমুল হুদা সাগর, একরামুল কবির মিল্টন, মুজিবুর রহমান, একরামুল হক হেলাল, নিঘাত সীমা, শরিফুল ইসলাম বাবু, হেলাল আহমেদ সুমন, আব্দুর রহমান, মাওলানা আব্দুল গফ্ফার, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, সিরাজুল ইসলাম মানিক, রিয়াজ শাহেদ, নাজির উদ্দীন আহম্মেদ নান্নু, হাসান মেহেদী রিজভী, শমসের আলী মিন্টু, তরিকুল¬াহ খান, আফছার উদ্দীন, বদরুল আনাম, জামাল উদ্দীন, হাফিজুর রহমান মনি, জামিরুল ইসলাম জামিল, হাবিব বিশ্বাস, মোহাম্মদ আলী বাবু, শরিফুল আনাম, এইচএম সালেক, হাসান উল¬াহ বুলবুল, তরিকুল¬াহ, আব্দুস শুকুর, লিটন খান, মেজবাহ উদ্দীন মিচু, এইচএম আসলাম, আব্দুল জব্বার, ফরিদ মোল্যা, জামাল মোড়ল, বাচ্চু মীর, মীর কবির, জাহিদ হাসান টিটো, কামাল হোসেন, সরদার রবিউল ইসলাম, আনিসুর রহমান আরজু, কালাম শিকদার, ইমতিয়াজ আলম বাবু, শাহনেওয়াজ নীরু ও আনছার আলী প্রমুখ।##

খুলনা জেলা বিএনপি:
বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, জেলের ভয় দেখিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম ঠেকানো যাবে না। আওয়ামী লীগের নেতাদের বলছি, আপনারাও জেল খেটেছেন। আওয়ামী লীগের মূল নেতারও তো দুর্নীতির দায়ে দুই বছরের জেল হয়েছিল। তিনি জেল খেটে উনি নেতার থেকে বাদ পড়ে গিয়েছিলেন? বরং আরও বড় নেতা হয়েছিলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজানো-পাতানো রায়ে জেল দিয়েছেন; খালেদা জিয়া আপোষহীন দেশনেত্রী থেকে তিনি সারা বাংলাদেশের মা’ হয়েছেন। মায়ের চেয়ে শ্রদ্ধেয় আর কেউ আছে?
পল¬ীবন্ধু বলেন আর জননেত্রী বলেন; সবচেয়ে বড় হলেন মা। সেই মাকে কারারুদ্ধ করে রাখার পরিনাম ভাল হবে না। তাই তালবাহানা না করে ২০ দলীয় জোট নেত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেজা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। না হলে ওই কারাগারে আপনাদেরও যাওয়া লাগতে পারে। বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি আলহাজ্ব এ্যাড. শফিকুল আলাম মনা’র সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচির প্রধান বক্তার বক্তৃতায় বিএনপি কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল¬াহ বুলু বলেন, ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচনে অংশ নিয়ে যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০দলীয় জোট কোন ভূল সিদ্ধান্ত নেয়নি; তা নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে আগামী জাতীয় নির্বাচনেই জনগন প্রমাণ দেবে। সাহস থাকলে দমননীতি পরিহার করে, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচনের আয়োজন করুন। দেখা যাক-কাদের জনপ্রিয়তা কেমন; জনগন কি চায়।
অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক আমীর এজাজ খান, খান জুলফিকার আলী জুলু, মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, মনিরুল হাসান বাপ্পী, কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, চৌধুরী কাওসার আলী, খান আলী মুনসুর, সাইফুর রহমান মিন্টু, ডাঃ আব্দুল মজিদ, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, এ্যাড. শরিফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, এ্যাড. মাসুম আল রশিদ, এ্যাড. তসলিমা খাতুন ছন্দা, মোস্তফা উল বারী লাভলু, আবুল খয়ের খান, আব্দুর রকিব মলি¬ক, মোশারেফ হোসেন মফিজ, মেজবাউল আলম, শামসুল আলম পিন্টু, এ্যাড. শহিদুল আলম, মুর্শিদুর রহমান লিটন, ওয়াহিদুজ্জামান রানা, শামীম কবির, তৈয়েবুর রহমান, এবাদুল হক রুবায়েত, উজ্জল কুমার সাহা, ইলিয়াস মলি¬ক, আতাউর রহমান রুনু, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, আহসানুল হক লড্ডন, সরফরাহ হিরু, মশিউর রহমান যাদু, শেখ হাফিজুর রহমান, খায়রুল ইসলাম জনি, শেখ আব্দুল মান্নান, মোল্যা সাইফুর রহমান, খন্দকার ফারুক হোসেন, মোজাফ্ফার হোসেন, মিরাজুল ইসলাম, নাহিদুজ্জামান জনি, আবুল বাশার, সাইফুল হাসান রবি, মোফাজ্জেল হোসেন মফু, অসিত কুমার সাহা, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, অধ্যাপক আইয়ুব আলী, কাজী মিজানুর রহমান, আরিফুর রহমান, ওয়াইজ উদ্দীন সান্টু, হারুনার রশিদ হিরু, আবু সাঈদ, শাহানাজ ইসলাম, জিএম আসাদ, সৈয়দ নিয়ামত আলী, রফিকুল ইসলাম বাবু, শামসুল বারিক পান্না, রাহাত আলী লাচ্চু, এ্যাড. আলফাজ হোসেন, তারভিরুল আজম রুম্মান, সেলিম সর্দার, জাভেদ মলি¬ক, আঃ মান্নান খান, বিকাশ মিত্র, সরদার আঃ মালেতক, কালাম লস্কর, গাজী জাকির জাহেদা, সেহারা সুলতানা, নাসিমা পলি, রুপা রাহাত, সুইটি বেগম, মনিরা পারভীন, আঃ মালেক, শরিফুল ইসলাম বকুল, সাহাবুদ্দিন ইজাদার, সরোয়ার হোসেন তারেক, জহুর আকুঞ্জী, মশিউর রহমান লিটন, মঞ্জুর রশিদ, আমিরুল ইসলাম তারেক, রুহুল মমিন লিটন ও আইয়ুব কাজী প্রমুখ।##