খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-১’র প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে জিডি আ’লীগ নেতার

0
395

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা টাইমস:
খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে সদর থানায় সাধারণ ডায়েরী অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। গত ২ নভেম্বর এই জিডি করেন মহানগর আওয়ামী লীগের ২২নং ওয়ার্ড সভাপতি, প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার আব্দুস সাত্তার খলিফা। সাত্তার খলিফা একই সাথে তিনি খুলনা ইট, বালি, পাথর, কয়লা ঐক্য পরিষদ এবং ইট বালি ব্যবসায়ী পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
জিডিতে বলা হয়, ২০১৫ সালে ৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুলনায় আগমনকে কেন্দ্র করে সার্কিট হাউজের বিদুৎতের মেরামত কাজ নির্বাহী প্রকৌশলী মো: জাকির হোসেনের অনুমতিতে সম্পন্ন করা হয়। এসময় সার্কিট হাউজ কর্তৃপক্ষ কাজ বুঝে নিয়ে প্রত্যয়ন দেন। যার ফলে ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পাওনা হয় খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-১ এর কাছে। এই পাওনা টাকা চাইতে গেলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: আবুল খায়েরের মাধ্যমে ৫০ টাকা উৎকোচ দাবি করেন নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির। অন্যথায় দিনের পর দিন ঘুরতে হবে বলে হুশিয়ারি দেয়া হয়।
গত ২ নভেম্বর উৎকোচের টাকা না দেওয়ায় সাত্তার খলিফার বড় ছেলেকে ডেকে তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়া হয় এবং তার নিবন্ধিত ঠিকাদারি লাইসেন্সটি কালো তালিকাভূক্ত করার হুমকি দেন। একই সাথে সাত্তার খলিফা যাতে করে কোথাও ঠিকাদারি না করতে পারে সে ব্যবস্থাও নেয়ার হুশিয়ারি দেন ওই প্রকৌশলী। এঅবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা সাত্তার খলিফা আশংকা করছেন যে, তাকে বড় ধরণের ক্ষতিসহ ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে প্রাণ নাশের ক্ষতি করা হতে পারে। সঙ্গত কারণেই সে ভবিষৎতের কথা বিবেচনা রেখে ওইদিন সদর থানায় জিডি (নং ৯৪, তারিখ ০২/১১/১৭ইং) করেন।

এবিষয়ে গোটা অভিযোগটি মিথ্যা বলে দাবি করেন নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন। এছাড়া তিনি আরও বলেন, তার লাইসেন্সে এজি অফিসের কাজ আরেকজন ঠিকাদার করছে, যা দ্রুত সম্পন্ন না করলে কালো তালিকাভূক্ত করার কথা বলা হয়। তাছাড়া তিনি আরও দাবি করেন, ২০১৫ সালের ২১ অক্টোবর যোগদানের পর থেকে এই বিভাগে কাজের পরিমাণ ও গুণগত মান বেড়েছে। আর সাত্তার খলিফার সার্কিট হাউজের কাজ তার আমলে করা হয়নি। অবশ্য ঠিকাদার সাত্তার খলিফা জানান, এজি অফিসের কাজের চূড়ান্ত বিল পরিশোধ করা হয়েছে, যদিও তা সম্পন্ন হয়নি।