খুলনা খানজাহান আলী থানা এলাকায় মাদকের চালান আসছে আমতলা ঘাট হয়ে

0
425

ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) প্রতিনিধি : নগরীর খানজাহান আলী থানা এলাকায় ইয়াবা, ফেন্সিডিলসহ মাদকদ্ররের চালান আসছে ভৈরব নদীর উপার অভয়নগরের সিদ্দিপাশা হয়ে খানজাহান আলী থানার আমতলা ঘাট দিয়ে ঢুকছে খানজাহান আলী থানা এলাকায়। মাদক পাচারের অত্যান্ত নিরাপদ রুট হওয়ায় এই পথ দিয়ে মাদকের চালান এনে সুকৌশলে খানজাহান আলী থানা এলাকায় ছড়িয়ে দিচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের দু’জন প্রভাবশালী নেতা। সম্পতি খানজাহান আলী থানায় অনুষ্ঠিত আইন শৃংখলা বিষয়ক ওপেন হাউজ ডে’তে বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছে অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনপ্রতিনিধিসহ করেকজন বক্তারা। পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বক্তারা খানজাহান আলী থানার অফিসার্স ইনচার্জের কাছে প্রশ্ন রেখে মাত্তমডাঙ্গার এবং ডাক্তার বাড়ী এলাকার দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে বলেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে দলের ভাবমুর্তি নষ্ট করে দুই নেতা দীর্ঘদিন যাবত মাদকের ব্যবসা চালিয়ে আসছে। এই দুই ব্যক্তির ছত্র ছায়ায় থাকা উঠতি বয়েসি একটি গ্রুপ রয়েছে যাদের মাধ্যমে গোটা থানা এলাকার মাদক ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আইন শৃংখলা বিষয়ক সভার সভাপতি খানজহান আলী থানা কমিউনিটি পুলিশিং ফোরামের সভাপতি ও আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ মনিরুল ইসলাম বলেন মাদকের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান জিরো টলারেন্স। মাদকের বিরুদ্ধে কোন আপোষ আমি করি না যারাই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকবে তাদেরকে গ্রেফতারে আমার সহযোগিতা সব সময় থাকবে। তিনি বলেন সভায় যে দুই জনের নাম উঠেছে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে। অভিযোগের প্রমান পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুসন্ধানে জানাগেছে, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করায় মাদক ব্যবসায়ীরা যখন কোনঠাসা তখন গ্রাম অঞ্চলের পল্লি অঞ্চল দিয়ে ভিন্ন কৌশলে মাত্তমডাঙ্গার দুই মাদক ব্যবসায়ী অভয়নগরের সিদ্দিপাশার মধ্য দিয়ে ভৈরব নদীর(ইষ্টার্ণগেট) আমতলা খেয়াঘাট দিয়ে খানজাহান আলী থানা এলাকায় মশিয়ালী, শিরোমণি বাইপাস(বিকেএসপি), মাত্তমডাঙ্গার রেললাইন, গিলাতলার প্রায়াত গাজী শহিদুল্লাহর চাতাল, আটরা শেখপাড়া, এ্যাযাক্রা শ্রমিক কলোনী, গিলাতলার ৬নং ওয়ার্ড মক্তব মোড়, আটরা ১ ও ২ নং বিহারী কলোনীসহ বিভিন্ন স্পটে ইয়াবা, ফেন্সিডিল, গাঁজা সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব পৌছে দেওয়া হচ্ছে। এই কাজে নদীর ওপারের সিদ্দিপাশার দুই ব্যক্তি এবং এক রমনি কাজ করছে বলে একাধীক সুত্রে জানাগেছে।
এ ব্যাপারে খানজাহান আলী থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের ব্যাপারে খোজ খবর নেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনকে নজদারীর মধ্যে রাখা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীরা যত বড় শক্তিশালী হোক তাদেরকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।