খুলনায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

0
710

নিজস্ব প্রতিবেদক : শান্তির প্রতীক কবুতর এবং বেলুনে বাঁধা ফেস্টুন উড়িয়ে গৌরব, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের ৪০ তম বার্ষিকী উদযাপন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। শনিবার বিকেলে নগরীর কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে দাড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বর্ষিয়ান রাজনীতিবীদ, ভাষা সৈনিক, সাবেক এমপি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই।
এ সময় নেতাকর্মীর করতালি ও মুর্হুমুর্হু শ্লোগান ও করতারিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা প্রাঙ্গন। সমাবেশ থেকে দেশে হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগনের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেয়া, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, মিথ্যা মামলায় কারারুদ্ধ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি, তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহার এবং সরকারকে হঠিয়ে গণতন্ত্রের ধারা ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত রাজপথে থাকার অঙ্গীকার করেন নেতাকর্মীরা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বক্তব্য রাখেন সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর, ফখরুল আলম, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, এ্যাড. এস আর ফারুক, এ্যাড. মশিউর রহমান নান্নু, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপুৃ, সিরাজুল হক নান্নু, শফিকুল আলম তুহনি, রেহানা আক্তার, মেহেদী হাসান দীপু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, মুজিবর রহমান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, শরিফুল ইসলাম বাবু প্রমুখ। আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় সমাবেশে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা আব্দুল গফফার।
এদিকে বিএনপির ৪০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জেলা বিএনপির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য জমায়েত ও সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য রাখেন এ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা। শনিবার সকালে নগরীর কে ডি ঘোষ রোডে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেণ সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খানি, ডাঃ গাজী আব্দুল হক, জুলফিকার আলী জুলু, শেখ আব্দুর রশিদ, এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, কামরুজ্জামান টুকু, চৌধুরী কওসার আলী, মেজবাউল আলম, এ্যাড. মোমরেজুল ইসলাম, সাইফুর রহমান মিন্টু, এ্যাড. শরিফুল ইসলাম জোয়াদ্দার, এ্যাড. মাসুম আল রশিদ, ডাঃ আব্দুল মজিদ, আবুল খয়ের খান, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, মোস্তফা উল বারী লাভলু, এস এ রহমান বাবুল, এ্যাড. তছলিমা খাতুন ছন্দা, ওয়াহিদ হালিম ইমরান, এ্যাড. শহিদুল আলম, শামসুল আলম পিন্টু, মুর্শিদুর রহমান লিটন, ওয়াহিদুজ্জামান রানা, শামীম কবির, তৈয়েবুর রহমান, ইবাদুল হক রুবায়েদ, উজ্জল কুমার সাহা, আতাউর রহমান রুনু, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, গোলাম মোস্তফা তুহিন, আহসানুল হক লড্ডন, সুলতান মাহমুদ, মশিউর রহমান যাদু, শেখ হাফিজুর রহমান, এ্যাড. আব্দুস সাত্তার, শেখ আব্দুল মান্নান, মোল্লা সাইফুর রহমান, অসীত কুমার সাহা, নুরুল আমীন বাবুল, খন্দকার ফারুক হোসেন, মোজাফফর হোসেন, পূর্ণিমা হোসেন, মিরাজুর রহমান মিরাজ, সাইফুল হাসান রবি, এ্যাড. চৌধুরী আব্দুস সবুর, অধ্যাপক আইয়ুব আলী, মনিরুজ্জামান বেল্টু, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, ওয়াইজউদ্দিন সান্টু, জি এম আসাদুজ্জামান, মাহাতাব হোসেন মেম্বার, মিজানুর রহমান লিটন, গোলাম কিবরিয়া আশা, হারুনর রশিদ হিরু, মোফাজ্জেল হোসেন মফু, আশিকুজ্জামান আশিক, শেখ আব্দুস সালাম, রফিকুল ইসলাম বাবু, জসিমউদ্দিন লাবু, শামসুল বারিক পান্না, ফরহাদ হোসেন, রাহাত আলী লাচ্চু, তারভিরুল আজম রুম্মান, ডাঃ আলমগীর হোসেন, হাবিবুর রহমান, আমিনুল ইসলাম পলাশ, মাওলানা নজরুল ইসলাম, জায়েদা বেগম, চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু প্রমুখ।