খুলনায় জাল দলিলের অভিযোগে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা : সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ

0
48
মুম্বাইয়ে পরিত্যক্ত হাসপাতাল থেকে ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাল দলিল করে জমি বিক্রির অভিযোগে ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। বিজ্ঞ মুখ্য মহানগর হাকিম-এর আমলী আদালত হরিণটানা, খুলনা এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলা নং সিআর-২৬/২২। মামলার আসামিরা হচ্ছেন মোল্যা আব্দুল ওহাব ও তার স্ত্রী মিসেস নাছিমা বেগম, মো: লিয়াকত আলী, আশরাফ আলী মীর, মো: শাহ আলম, মো: আব্দুল হাই আকুঞ্জি এবং দিপংকর। মামলাটি তদন্তে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। মামলাটি শেখ শরিফুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে গতকাল বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি ইন্সপেক্টর মো: সাইফুল বলেন, মামলাটি এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষ হলে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এদিকে, মামলাটি হওয়ার পর বাদীর বর্গদার আনোয়ার হোসেনকে হুমকি ধামকি প্রদান করা হয়। এ ঘটনায় গত ২৮ মে শেখ শরিফুজ্জানা হরিনটানা থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দাখিল করেন। এরা হচ্ছেন মো: আজিজ, মো: রাজু, আমিন এবং দিপংকর।
বিষয়টি তদন্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় হরিণটানার এসআই মো: ইউসুফকে। এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো: ইউসুফ বলেন, বিষয়টি জাল-জালিয়াতির গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে খোজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মামলার বাদী শেখ শরিফুজ্জামান বলেন, হরিণটানা থানাধীন রাজবাধঁ মৌজায় জয়খালী ব্রিজ সংলগ্ন ডান পাশে ডিপি ৭৮৯ নং খতিয়ানে সাবেক ৩২৭ দাগে ডিপি ৬১৮ দাগে বিলিন ১ দশমিক ৪৭ শতক, সাবেক ৩২৮ দাগে ডিপি ৬১৯ দাগে বিলিন ১ দশমিক ৪৯ শতক সাবেক ৩২৯ দাগে ডিপি ৬২০ দাগে বিলিন ৪ দশমিক জমির মধ্যে হতে ২ একর জমির ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে তারা ৬ ভাই ভোগ দখলে থাকে। ভোগ দখলের থাকা অবস্থায় তার এক ভাই তার অংশ বিক্রি করে দেয়। বাকির জমির মধ্যে সেসহ তিনভাইয়ের ৫০ শতক জমি উল্লিখিত ৭ আ্সামিরা জালজালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রয় করে কবলা দলিল সৃষ্টি করে। যার মামলা নং সিআর-২৬/২২। এই মামলায় বিজ্ঞ বিচারক সিআইডিকে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন নির্দেশ দেন। সেই সুবাদে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা জিরোপয়েন্ট এলাকায় তদন্ত করতে আসলে সিআর-২৬-২২ মামলার আসামীরা এবং তাদের সাথে উপস্থিত হয়ে উল্লেখিত বিবাদীগণ আমার জমিতে গিয়ে আমার বর্গদার আনোয়ার হোসেনকে হুমকি ধামকি প্রদান করেন।
আদালতে মামলায় উল্লেখ করা হয়, আসামীগণ সরকারী দপ্তরের কাগজপত্র ও মিথ্যা অঙ্গীকারনামা দলিলে বাদী ও তার দুই ভাইয়ের অজ্ঞাতে বাদীর স্বাক্ষর জাল সৃষ্টি, অন্য ছবি ব্যবহার করে, প্রতারণের মাধ্যমে কবলা দলিল সৃষ্টি করেন।