খুলনায় কাউন্সিলর প্রার্থীর উপর বোমা হামলায় তদন্তে গিয়ে পুলিশ আহত

0
347

নিজস্ব প্রতিবেদকঃখুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী পিন্টুর উপর বোমা হামলা ও গুলি বর্ষণের অভিযোগে হামলার ঘটনা তদন্তে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলার শিকার হয়েছেন খালিশপুর থানার ওসি সরদার মোশারফ হোসেন। আহত অবস্থায় রাতেই খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ওসি মোশারফ হোসেন। এছাড়া ওই সময় এস আই লিটনও ওই ঘটনায় আহত হন। ওসির মুখ ঘুষিতে জখম ও লিটনের হাত জখম হয়। এ ঘটনার পর পুলিশ রসুল ও নাদিম নামে ২ জনকে আটক করে থানায় নিয়েছে। রসুল কাউন্সিলর পিন্টুর চাচা ও নাদিম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেলিমের সমর্থক।

 

খালিশপুর থানা পুলিশের এসআই রত্নেশ্বর রায় জানান, রাতে ঘটনার খবর পেয়ে ওসি সরদার মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রকৃত ঘটনা বোঝার চেষ্টা করেন। স্থানীয় জনতা কয়েকটি শব্দ শোনার কথা বলেন। কিন্তু পুলিশ এ ধরনের কোন আলামত না পেয়ে আরও গভীরে তদন্ত করতে অগ্রসর হন। এ অবস্থায় উপস্থিত লোকজন উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে হাতাহাতিতে ওসি মাথায় আঘাত পান। তাকে রাতে ১২টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নজরদারি করছেন। ঘটনাস্থলে বোমা বিস্ফোরণ বা গুলির তেমন কোন আলামত পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় জনতার দাবি, রাত সাড়ে ৯টার দিকে খালিশপুরের উত্তর কাশিপুর যমুনার পুরাতন সেলস সেন্টারের সামনে কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়। ঝড়ের মধ্যে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় অন্ধকারে কাউন্সিলর প্রার্থী পিন্টুর ওপর হামলা হয় বলে জানার পরই পুলিশ বিষয়টি তদন্তে যায়।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া উইং প্রধান এডিসি সোনালী সেন বলেন, রাতে ঘটনা তদন্তে যাওয়ার পর খালিশপুর থানার ওসিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটির তদন্ত করা হচ্ছে। রবিবার এ ব্যাপারে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।