খুলনায় কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি থেকে বাদ পড়ছেন বিতর্কিতরা

0
478

* নগরীকে সিসিটিভি’র আওতায় আনার সিদ্ধান্ত

* গঠন হচ্ছে পরিবহন কমিউনিটি পুলিশিং

এম জে ফরাজী : খুলনায় কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি থেকে সকল বিতর্কিত সদস্যদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। একই সাথে পরিবহন কমিউনিটি পুলিশিং গঠন ও মহিলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সোমবার বেলা ১১টায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)’র সদর দপ্তরে পুলিশ কমিশনার মোঃ হুমায়ুন কবির, পিপিএম এর সভাপতিত্বে মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির বর্ধিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় আসন্ন কমিউনিটি পুলিশিং ডে উদযাপনের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ব্যাপক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া সকলে মিলে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে খুলনা মহানগরীকে অপরাধ, মাদকমুক্ত, জঙ্গিমুক্ত এবং বিশৃঙ্খলামুক্ত গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সভা থেকে জানানো হয়, মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটিকে শক্তিশালীভাবে গড়ে তুলতে সকল বিতর্কিত সদস্যকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সাথে পরিবহন কমিউনিটি পুলিশিং এবং মহিলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের কথা জানানো হয়। প্রত্যেক ওয়ার্ড ও থানায় প্রতিমাসে একবার সভা আয়োজন, র‌্যালী ও সমাবেশের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সমগ্র খুলনা সিটিকে সিসিটিভি ক্যামেরায় আনতে কমিউনিটি পুলিশিং’র ভূমিকা নেওয়ার কথা জানানো হয়। এছাড়াও আসন্ন দুর্গোৎসবে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধে পুলিশ সদস্যদের সাহায্য করতে কমিউনিটি পুলিশিং এর জোরালো ভূমিকা, বিট পুলিশিং কার্যক্রমের প্রসার ঘটানো হবে বলে সভা থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সোনালী সেন’র সঞ্চালনায় বর্ধিত সভার শুরুতেই মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সহ-সভাপতি কাজী ফেরদৌস হোসেন তোতার পুত্র কাজী তাসফিন হোসেন তয়নের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
সভায় বক্তৃতা করেন এবং উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন, বিশেষ পুলিশ সুপার (সিএসবি) রাশিদা বেগম, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো: এহ্সান শাহ, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিবি) বিএম নুরুজ্জামান বিপিএম, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো: জাফর হোসেন, খুলনা মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি ডা: এ কে এম কামরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ সৈয়দ আলী, কেএমপি’র সকল উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও থানার অফিসার ইনচার্জগণ এবং মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির নেতৃবৃন্দ।