খুলনার মরা শিবসা নদী খনন আগামী বছরে

0
653

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জেলার পাইকগাছা উপজেলা সদর অতিবৃষ্টিতে জলমগ্ন ও চিংড়ির ঘের ভেঁসে যায়। উপজেলা সদরে ভাটার সময় গম বোঝাই কার্গো, বালি ও পাথর বোঝাই বাল্ক প্রবেশ করতে পারে না। উপজেলা সদর সহ পার্শবর্তী সোলাদানা ইউনিয়নে জলাবদ্ধতা নিরাসনে ৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে মরা শিবসা নদী খনন শুরু হবে আগামী বছরে। পানি উন্নয়ন বোর্ড এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।
শিববাটি এলাকায় শিবসা নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ করার পর ২০০০ সাল থেকে শিবসা নদীতে চরা পড়তে শুরু করে। ফলে যাত্রীবাহি লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। জোয়ারে সময় ছাড়া গম বোঝাই কার্গো, বালি ও পাথর বোঝাই বাল্ক উপজেলা সদরে আসতে পারে না। সোলাদানা ইউনিয়ন থেকে উৎপাদিত চিংড়ি নৌ পথে উপজেলা সদর ও জেলা সদরে আসতে পারে না। এ ছাড়া সোলাদানা বাজার ও পাইকগাছা উপজেলা সদরে আবর্জনায় নদীর তীর ভরাট হয়েছে। একই সাথে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানাজ্জী এ প্রতিবেদকে জানান, পাইগাছা এলাকার জলাবদ্ধতা নিরাসনে শিববাটি ব্রিজ থেকে সোলাদানা বাজার পর্যন্ত সাড়ে ১০ কিলোমিটার মরা শিবসা নদী খনন জানুয়ারি মাসে শুরু হবে।
পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মাদ আলী এ প্রতিবেদককে জানান, মরা শিবসা খনন হলে উপজেলা আবার প্রাণ ফিরে পাবে। জলাবদ্ধতা নিরাসন হবে, বসবাস উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি হবে। পানি প্রবাহ বাড়বে।কাকড়া ও চিংড়ি উৎপাদনে নোনা পানি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
অবৈধ দখল: ডুমুরিয়া উপজেলার থুকড়া বাজার এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর ২৫নম্বর পোল্ডারের অফিসটি গাজী ফিরোজ আহম্মেদ নামক এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ দখল করে বসে আছে। এ ছাড়া বোর্ডের অফিসের পাশে গাজী জহুরুল ইসলাম ও বিএম আইয়ুব নামক দু’ব্যক্তি মফঃস্বল সমবায় সমিতির অফিস তৈরি করে দখল নিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শরিফুল ইসলাম এ প্রতিবেদকে জানান, পোল্ডারের জরাজীর্ণ ভবনে দেখভাল করার জন্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যেকোন সময়ে জরাজীর্ণ ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া অন্য কোন দখলদার থাকলে তাদের উচ্ছেদ করা হবে। খুলনা জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ আবু সালেহ জানান, ২৫ নম্বর পোল্ডারের অফিসটি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যাথা নেই।