খুলনার ফুলতলায় বাস ও প্রাইভেটকার সংঘর্ষে ২ চিকিৎসকসহ ৩ নিহতের লাশ প্রাইভেটকার কেটে বের করা হলো

0
692

সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩-৪টার দিকে উপজেলার বেজেরডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ডা. শাহাদাত হোসেন খুলনা মহানগরের গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ও ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন কিওর হোম জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক এবং প্রাইভেটকার চালক জাহাঙ্গীর হোসেন।

ফুলতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, খুলনাগামী গড়াই পরিবহন ও যশোরের নওয়াপাড়াগামী একটি প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই চিকিৎসক ও প্রাইভেটকার চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাসের কোনো যাত্রী হতাহত হয়নি। যাত্রীবাহী বাসের নম্বর রাজশাহী মেট্রো ব ১১-০০৩৮ ও প্রাইভেটকারের নম্বর ঢাকা মেট্রো গ ১৩-৬৮৭০।
বাসটি জব্দ করা হয়েছে বলেও জানান ওসি মনিরুল।

নিহত চিকিৎসক শাহাদাৎ হোসেন খুলনার সোনাডাঙা থানার করিম নগর এলাকার মৃত মাজেদ আলীর ছেলে, চিকিৎসক মোয়াজ্জেম হোসেন খুলনার সাউথ সেন্ট্রাল রোডের মৃত আব্দুল ওয়াহেদের ছেলে এবং প্রাইভেটকার চালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খুলনার মুজগন্নি এলাকার মাহাবুবুর রহমানের ছেলে।

খুলনার ফুলতলা উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকার দুমড়েমুচড়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত দুইজন চিকিৎসকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় বিকট শব্দে প্রাইভেটকারটি দুমড়েমুচড়ে রাস্তার বাইরে ছিটকে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এলাকাবাসীর সহায়তায় দুমড়েমুচড়ে যাওয়া প্রাইভেটকার কেটে চিকিৎসক শাহাদাৎ হোসেনকে বের করে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ফুলতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
একই সময়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রাইভেটকারের দরজা কেটে চিকিৎসক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন ও প্রাইভেটকার চালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফুলতলা থানা পুলিশের ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, খুলনাগামী গড়াই পরিবহন বাসটি প্রাইভেটকারকে চাপা দিলে দুই চিকিৎসকসহ তিনজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। প্রাইভেটকার কেটে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি ফেলে চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। চালক ও হেলপার পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা যায়নি।