খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়া হলে চূড়ান্ত আন্দোলন : নগর বিএনপি

0
357

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে একে গভীর উদ্বেগজনক, ভীতিকর ও অনিশ্চিত হিসেবে অভিহিত করেছেন খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। আগামী ৮ ফেব্রæয়ারী জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় সম্পর্কে সরকারের মুখপাত্র ও মন্ত্রীদের আগাম মন্তব্য, পুলিশের বারংবার হুশিয়ারী, গণগ্রেফতার ও বাড়ি বাড়ি তল্লাশির নামে তান্ডব, সরকারের বশংবদ মিডিয়ার নেতিবাচক প্রচারণা জনজীবনে অজানা আতংক সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেন তারা। গণতন্ত্রের সংগ্রামের আপোসহীন নেত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বানোয়াট মামলায় সাজা দেয়া হলে সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ করে এর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আন্দোলন গড়ে তুলবে জানিয়ে সেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের জন্য প্রস্ততি নিতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানানো হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর কে ডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নগর বিএনপির এই জরুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
সভা থেকে বলা হয়, দুদুকের বানোয়াট মামলায় সরকারের ইচ্ছাধীন রায়ে সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার মাধ্যমে দেশ এক গভীর অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হবে। এর মাধ্যমে মূলত সরকারি দল আওয়ামী লীগ আর একটি এক তরফা নির্বাচনের নাটক সাজিয়ে এক ব্যক্তির একনায়কতান্ত্রিক বাকশালী শাসন দীর্ঘায়িত করার নীলনকশা বাস্তবায়ন করতে চায়। বিএনপিকে নেতৃত্ব শূণ্য করার হীন চক্রান্ত বাস্তবায়নের যে কোন ষড়যন্ত্র রুখে দেয়ার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানানো হয়।
সভা থেকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায়, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলালসহ গণগ্রেফতারের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। সেই সাথে জাতীয় নেতৃবৃন্দকে রিমান্ডের নামে নির্যাতন, হয়রানি বন্ধ, নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশির নামে তান্ডবলীলা চালানো বন্ধের জোর দাবি জানানো হয়। রুহুল কবীর রিজভীসহ সারা দেশের লাখো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হাজার হাজার মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি জানানো হয়। বিভিন্ন স্থানে নাশকতার বানোয়াট অভিযোগ তুলে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের হয়রানি বন্ধ করার আহবান জানানো হয়।
সভা থেকে সরকার ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে বর্তমান মারমুখি, প্রতিহিংসাপরায়ন অবস্থান থেকে সরে আসার আহবান জানানো হয়। সেই সাথে যে কোন পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণের মাধ্যমে সরকারের পাতা ফাঁদে পা না দিয়ে রাজনৈতিকভাবে সকল ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করার জন্য দলীয় কর্মীদের প্রতি আহবান জানানো হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, শেখ খায়রুজ্জামান খোকা, সিরাজুল ইসলাম, শাহজালাল বাবলু, রেহানা আক্তার, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, শেখ হাফিজুর রহমান, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দীপু, শফিকুল আলম তুহিন, আজিজুল হাসান দুলু, ইকবাল হোসেন খোকন, সাদিকুর রহমান সবুজ, জালু মিয়া, এহতেশামুল হক শাওন, শেখ সাদী, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, মুর্শিদ কামাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, একরামুল হক হেলাল, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, মাহবুব হাসান পিয়ারু, কামরান হাসান, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, শেখ ইমাম হোসেন, হাসান মেহেদী রিজভী, মুজিবর রহমান ফয়েজ, শেখ জামিরুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান মনি, জহর মীর, বদরুল আনাম, মীর কবির হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, আফসারউদ্দিন মাস্টার, তরিকুল ইসলাম, হাবিব বিশ্বাস, আহসানউল্লাহ বুলবুল, মোঃ ওহেদুজ্জামান, শমসের আলী মিন্টু, বেলায়েত হোসেন, মোঃ জামালউদ্দিন, শরিফুল আনাম, এ্যাড. মোহাম্মদ আলী বাবু, মেজবাহউদ্দিন মিজু, রবিউল ইসলাম রবি, জাহিদ কামাল টিটো, মহিউদ্দিন টারজান, মোস্তফা কামাল, সাইফুল ইসলাম, ইমতিয়াজ আলম বাবু, আবু সাঈদ শেখ, কাজী শাহনেওয়াজ নীরু, সরদার ইউনুস আলী, ওয়াহিদুর রহমান দীপু, বাচ্চু মীর, আরমান হোসেন, আনাসর আলী, শেখ আব্দুল জব্বার, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, এইচ এম আসলাম, আলমগীর হোসেন, মিজানুর রহমান খোকন, গাউস হোসেন, তৌহিদুর রহমান খোকন, আবুল কালাম শিকদার, আব্দুল আলিম, মাওলানা আব্দুল গফফার, মেহেদী হাসান সোহাগ, জাহান আলী, লিটন খান, শাহাবুদ্দিন মন্টু, মোহাম্মদ আলী, মাহবুব হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন, আলম হাওলাদার, আব্দুল্লাহ, মোকসেদ আলী, জাকারিয়া লিটন প্রমুখ। #