খালেদা জিয়াকে সাজা দেয়ার পায়তারা ও গণগ্রেফতার বন্ধ করুণ : জেলা বিএনপি

0
297

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার রায়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে পুলিশ সরকারের পেটোয়া বাহিনীর ন্যায় আচরণ শুরু করেছে। জেলার ৯ উপজেলা জুড়ে প্রতি রাতে চলা গণগ্রেফতারে দলীয় নেতাকর্মীরা আটক হওয়ার পাশাপাশি পুলিশ এসব পরিবারের সদস্যদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করছে। পিতা-মাতা-স্ত্রী-সন্তানদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং রাজনৈতিক কর্মীদের পাওয়া মাত্র ক্রসফায়ারে হত্যা করা হচ্ছে বলে হুংকার দিচ্ছে।
খুলনা জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ আজ এক বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের গণতন্ত্রের সংগ্রামের এক আপোসহীন নেত্রী। তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী এবং তিনটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সফল নেতৃত্ব প্রদানকারী এক নেত্রী। দীর্ঘ সাড়ে তিন দশক তিনি বিএনপির নেতৃত্ব দিয়ে দলটিকে জনগনের মনের মনি কোঠায় পৌছে দিয়েছেন। সেই নেত্রীকে মিথ্যা বানোয়াট মামলায় জেলে পাঠানো হলে স্বাভাবিকভাবেই শুধুমাত্র দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে নয়, সর্বস্তরের জনসাধারণের মাঝে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে। এটা বুঝতে পেরেই অবৈধ অনির্বাচিত সরকারের ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখার হাতিয়ার পুলিশ বাহিনী গণগ্রেফতার ও অভিযান শুরু করেছে। পুলিশ কয়রা থেকে উপজেলা শ্রমিক দল নেতা আজিজুর রহমান, যুবদল নেতা বিল্লাল হোসেন ও সাইদুর রহমান, পাইকগাছা থেকে কপিলমুনি ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক শেখ আনারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ হাবিবুর রহমান, চাঁদখালি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক সিনিয়র সহ সভাপতি ইউনস মোল্লা এবং রূপসা থেকে শ্রমিক দল নেতা ইউনুস আলীর ছেলে অপুকে গ্রেফতার করেছে। বিবৃতিতে জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে সখল বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং জেলাব্যাপি গ্রেফতার অভিযান বন্ধের জোর দাবি জানান।
বিবৃতিদাতারা হলেন সভাপতি এ্যাড. এস এম শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান,  সিনিয়র সহ সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ গাজী আব্দুল হক, গাজী তফসির আহমেদ, খান জুলফিকার আলী জুলু, এ্যাড. এম এ আজিজ, মনিরুজ্জামান মন্টু, এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, মোস্তফা উল বারী লাভলু, জি এম কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, শামসুল আলম পিন্টু, আলী আসগর, এ্যাড. এ কে এম শহিদুল আলম, মুর্শিদুর রহমান লিটন, অহেদুজ্জামান রানা প্রমুখ।#