কয়রায় পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে বনদস্যু কালু বাহিনীর প্রধানসহ নিহত ৩

0
530

কয়রা প্রতিনিধিঃ

কয়রায় পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে সুন্দরবনের বনদস্যু কালু বাহিনীর প্রধান সাঈদ মোড়ল ওরফে কালু (৪৭) সহ ৩ বনদস্যু নিহত হয়েছে। বনদস্যু সাইদ মোড়ল ওরফে কালু কয়রা উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের অর্জনপুর গ্রামের মৃত্যু শামছুর রহমান মোড়লের পুত্র। নিহত অপর ২ বনদস্যু হলো একই উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের গীলা বাড়ি গ্রামের দলিল গাজীর পুত্র আকবার আলী (৩৪) ও রামপাল উপজেলার হোগলা ডাঙ্গা গ্রামের আঃ জব্বার মল্লিকের পুত্র শহিদুল মল্লিক (২৭)। কয়রা থানা পুলিশ জানায়,গত ৫ জুন সুন্দবনে মুক্তিপনের দাবিতে ৪ জেলেকে জিম্মি করে কালু বাহিনীর সদস্যরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়রা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ এনামুল হকের নেতৃত্বে পুলিশ গত ৬ জুন বেলা ১১ টায় সুন্দরবনের ময়দা পেশা খালে অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যুরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষন করতে থাকে, এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে উভয় পক্ষে ঘন্টা ব্যাপী গুলি বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে বনদস্যুরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে ৩ জন বনদস্যুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত্যু ঘোষনা করেন । এছাড়া বন্দুক যুদ্ধ শেষে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২ টি দেশি তৈরি পিস্তল, ১ রাউন্ড পিস্তলের গুলি,দেশি তৈরি ডাবল ব্যারেল বন্দুক ১ টি, বন্দুকের গুলি ৩ রাউন্ড, ৫ টি গুলির খোসা, কুড়াল, চাপাতি, বনদস্যু ব্যবহারিত নৌকা, ১২ টি লাঠি ও অন্যান্য জিনিষপত্র। এ সময় ৫ পুলিশের এসআই রাজিউল আমিন, গোলাম আযম, কিশোর কুমার বিশ্বাস, এএসআই মোস্তাফিজুর রহমান ও আঃ সামাদ, পুলিশ সদস্য শওকাত হোসেন, হারিজ মোল্যা ও মোখলেছুর রহমান আহত হয়। তাদেরকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ বনদস্যুদের কবল থেকে মুক্তিপনের দাবিতে আটক ৪ জন জেলেকে উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত জেলেরা হলেন উপজেলার মহেশ্বরীপুর এলাকার হাবিবুর রহমান,মফিজুল ইসলাম, মজিবার রহমান ও রাজু।