ক্রান্তীয় ঝড়ে গুয়াতেমালায় ১৫০ মৃত্যুর আশঙ্কা

0
183

টাইমস ডেস্ক:
ক্রান্তীয় ঝড় ‘এতা’-র প্রভাবে ভারি বৃষ্টির মধ্যে ভূমিধসে মধ্য আমেরিকার দেশ গুয়াতেমালায় অন্তত ১৫০ জনের মৃত্যুর হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিবিসি জানিয়েছে, গুয়াতেমালার সেনাবাহিনী দুর্যোগের মধ্যে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া দূর্গম গ্রাম কেখায় পৌঁছতে সক্ষম হয়েছে, এখানে ভূমিধসে বহু ঘরবাড়ি চাপা পড়েছে। এলাকাটিতে পায়ে হেঁটে যেতে হয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট আলেহান্দ্রো জামাতেই জানিয়েছেন, আলতা ভেরাপাজ অঞ্চলের কেখায় প্রায় ১০০ লোকের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভূমিধসের কারণে অনেক সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে, বহু এলাকা পানিতে তলিয়ে আছে; এর মধ্যে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় উদ্ধারকাজে বিঘœ ঘটছে। এর আগে কর্তৃপক্ষ দেশজেুড়ে অন্তত ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছিল। ‘এতা’ মঙ্গলবার চার মাত্রার হারিকেন হিসেবে ঘণ্টায় একটানা ২২৫ কিলোমিটার বাতাসের গতি নিয়ে সাগর থেকে নিকারাগুয়া হয়ে স্থলে উঠে আসে। এটি নিকারাগুয়া থেকে প্রতিবেশী হন্ডুরাসে গিয়ে দুর্বল হয়ে ক্রান্তীয় নিম্নচাপে পরিণত হয় এবং পরে আরও সরে গুয়াতেমালায় গিয়ে হাজির হয়। এর প্রভাবে ওই অঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট জামাতেই জানিয়েছেন, দেশে উদ্ধার অভিযান চালানোর মতো মাত্র একটি হেলিকপ্টার থাকায় এ উদ্যোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। বহু লোক আটকা পড়ে আছেন, তাদের কাছে পৌঁছতে পারছি না আমরা, বলেছেন তিনি। গুয়াতেমালার বহু এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট কেখার পরিস্থিতিকে ‘সঙ্কটজনক’ বলে বর্ণনা করেছেন। ওই এলাকা থেকে তখনও কোনো মৃতদেহ উদ্ধার করা যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রতিবেশী হন্ডুরাস অন্তত ১০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। এখনও কয়েকশত লোক পানিবন্দি অবস্থায় আটকা পড়ে আছেন। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে এই দুর্যোগে সৃষ্ট সঙ্কট কাটিয়ে ওঠার লক্ষে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে হন্ডুরাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েন্দি মুঙ্গিয়া ফিগেরোয়া জানিয়েছেন। শুক্রবার ঝড়টি বেলিজের উপকূল দিয়ে ক্যারিবিয়ান সাগর হয়ে কিউবা ও ফ্লোরিডার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল বলে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার (এনএইচসি) জানিয়েছে।