কুয়েটে মাটির নিচ থেকে গ্রেনেড ও গুলি উদ্ধার

0
737

নিজস্ব প্রতিবেদক:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ক্যাম্পাসের পশ্চিম পাশে নবনির্মিত আইটি ট্রেনিং সেন্টারের রাস্তা নির্মাণ কাজের মাটির নিচ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মঙ্গলবার রাইফেলের আরো ৮১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই নিয়ে গত দু’ দিনে ডুমুরিয়া এবং খানজাহান আলী থানা পুলিশ মোট ৮৯০ রাউন্ড গুলি ও ১টি গ্রেনেড উদ্ধার করেছে।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন আরো ৩০ রাউন্ড গুলি দেখে বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে খবর দেয়। বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করলে খানজাহান আলী থানা পুলিশ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসের পশ্চিম পাশে নবনির্মিত আইটি ট্রেনিং সেন্টারের রাস্তা নির্মাণ কাজের স্কেভেটর মেশিন দিয়ে তোলা মাটি খুঁড়ে আরো ৮১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। এর আগে গত সোমবার ডুমুরিয়া উপজেলার থুকড়া গ্রামের দিনমুজুর সোহেল রানা ৮০৩ রাউন্ড গুলি ডুমুরিয়া বাজারের একটি ভাঙ্গাড়ীর দোকানে বিক্রি করার সময় পুলিশের হাতে আটক হয়।
আটকের পর সোহেল পুলিশকে জানান, স¤প্রতি আইটি ট্রেনিং সেন্টারের রাস্তার মাটির কাজ করার সময় গুলিগুলো পেয়ে গোপনে বিক্রি করতে এসেছিলো। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্য মতে, গত সোমবার দুপুর সাড়ে ৩ টার দিকে পুলিশ কুয়েট ক্যাম্পাসের আইটি ট্রেনিং সেন্টারের উলি­খিত স্থানে তল­াশি চালিয়ে মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় সাড়ে ৭শ’ গ্রাম ওজনের ১টি গ্রেনেড ও ৬ রাউন্ড রাইফেলের গুলি উদ্ধার করে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গফুর বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধের সময় এখানে পাক বাহিনীর ক্যাম্প এবং ইটের স্তুপ ছিলো। সেই সময়ে তাদের ফেলে যাওয়া গুলি হয়তো মাটিকাটার সময় উঠে এসেছে।
খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো লিয়াকত আলী বলেন, ডুমুরিয়া বাজারের ভাঙ্গাড়ীর দোকানে বিক্রি করার সময় সোহেল রানাকে পুলিশ আটক করে। পরে ডুমুরিয়া থানা পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে উলে­খিত স্থানে গত দু’ দিনে দুই দফায় মাটি কেটে ৮৭ রাউন্ড গুলি ও ১টি গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত গ্রেনেড ও গুলি মুক্তিযুদ্ধকালীন নয়, আরো পরের। কারণ গুলিগুলো চায়নার তৈরি। পরীক্ষা নিরীক্ষা না করে এ মুহুর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।