কুয়েটের সমাবর্তনে ‘বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন ৩৮ গ্রাজুয়েট

0
428

নিজস্ব প্রতিবেদক:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েটে) তৃতীয় সমাবর্তনে স্নাতক পর্যায়ে ভালো ফলাফলের ভিত্তিতে ৩৮ জন কৃতি গ্রাজুয়েটের হাতে ‘বিশ্ববিদ্যালয় স্বর্ণপদক’ তুলে দেবেন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ। আগামী ৪ এপ্রিল (বুধবার) কুয়েটের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার দুপুরে কুয়েটের সম্মেলন কক্ষে সমাবর্তন উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এবারের সমাবর্তনে যে সব শিক্ষার্থী ২০১০-১১ থেকে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে বিএস-সি. ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিইউআরপি এবং দ্বিতীয় সমাবর্তনের পর থেকে এ সময়কাল পর্যন্ত পি-এইচডি, এম.ফিল, এমএস-সি ইঞ্জিনিয়ারিং ও এমএস-সি ডিগ্রি অর্জন করেছেন তাদের ডিগ্রি দেওয়া হবে। সর্বমোট ২ হাজার ৭শ ৯৫ জনকে স্নাতক ও ২শ ২৮ জনকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেওয়া হবে। এর মধ্যে বিএস-সিইঞ্জিনিয়ারিং ২ হাজার ৬৫৭, বিইউআরপি ১৩৮, এমএস-সি ৬৯, এমএস-সি ইঞ্জিনিয়ারিং ১০৩, এম.ফিল ৪৮ এবং ৮ জনকে পি-এইচডি ডিগ্রির সনদ দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আসগর। বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুলমান্নান। এতে তিন অনুষদের ডিন স্ব-স্ব অনুষদের গ্র্যাজুয়েটদের ডিগ্রি দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের কাছে উপস্থাপন করবেন। রাষ্ট্রপতি ডিগ্রি প্রদান করবেন। এ পর্যন্ত অত্র প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ৬ হাজার ৬শ ৮৩ জনকে ডিগ্রি সনদ দেওয়া হয়েছে।
মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, সারাবিশ্বে আত্মমর্যাদাশীল দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে চলার লক্ষ্য অর্জনে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাত্র তিনটি বিভাগ ১২০জন স্নাতক ছাত্র ও একজন ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই বিদ্যাপীঠে এখন ১৮টি বিভাগ ০৩টি ইনস্টিটিউটে ৪ হাজার ৬শ ৩৫ জন স্নাতক ও ১ হাজার ৭৩ স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী এবং ৮৯৩ জন ছাত্রী রয়েছে।
নির্মিত হচ্ছে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম ‘আইটি ইনকিউবিশন ও ট্রেনিং সেন্টার’। উন্নত গবেষণাগার, দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো ও পরিচ্ছন্ন-সুন্দর নয়নাভিরাম ক্যাম্পাস গড়ে তুলে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল উদ্ভাবনী শক্তির ক্রমবিকাশ ঘটিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. কাজী হামিদুল বারী, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রফিক, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মিহির রঞ্জন হালদার, পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) প্রফেসর ড. সোবহান মিয়া, রেজিস্ট্রার জি এম শহিদুল আলম।