কুল্যায় ঘনবসতি এলাকায় ইটভাটা নির্মাণ

0
334

মইনুল ইসলাম, আশাশুনি প্রতিনিধি:
আশাশুনি উপজেলার কুল্যায় ইট ভাটার মাটি বহনকারী গাড়ীর চাকায় সরকারী এলজিইডি রাস্তা নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ইট ভাটার স্বার্থে মাটি বহন করায় এক দিকে যেমন নষ্ট হচ্ছে সরকারী রাস্তা, তেমনি অন্যদিকে চলাচলে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চলাচলরত সাধারণ পথচারীদের। সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, কুল্যা-গুনাকরকাটি ব্রীজ মোড় থেকে কুল্যা রাজবংশী পাড়া পর্যন্ত সরকারী এলজিইডি ইটের সোলিং রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, কুল্যার কুলতিয়া মোড়স্থ এইচবিএফ ইট ভাটা কর্তৃপক্ষ বেতনা নদীর চর থেকে মাটি কেটে অবৈধ যান ট্রাকটারের মাধ্যমে উক্ত বেতনা নদীর ওয়াপদা রাস্তার উপর দিয়ে অতিরিক্ত মাটি লোড নিয়ে যাতায়াত করায় সরকারী এলজিইডি ইটের সোলিং রাস্তাটি সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। এ ওয়াপদা সড়কটি দিয়ে কুল্যা রাজবংশী পাড়া, কুল্যা, পশ্চিম পাড়ার সাধারণ মানুষ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা চলাচলসহ স্থানীয় আমতখালী বিলের কৃষি কাজে ব্যবহৃত ছোট যান চলাচল করে থাকে। বেতনা নদীর ওয়াপদা রাস্তা দিয়ে অতিরিক্ত মাটি লোড নিয়ে অবৈধ যান ট্রাকটার চলাচল করায় পথচারী ও স্কুল কলেজ গামী শিক্ষার্থীদের পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে। এছাড়া উক্ত এইচবিএফ ইট ভাটার বিরুদ্ধে উঠে এসেছে একাধিক অভিযোগ। ভাটা পাশ্ববর্তী বসবাসকারি কয়েক জন ব্যক্তি জানান, ঘনবসতী এলাকায় ইট ভাটা নির্মাণ করায় এবং ঝিঁকঝাঁক হাওয়ায় ভাটা না থাকার কারণে কয়লার পরিবর্তে কাঁচা কাঠ পোড়ানোর ফলে ও ইট ভাটার রঙ্গিন ধুলার কারণে কোমলমতি ছেলে মেয়ে ও পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করা কষ্ট সাধ্য হয়ে উঠেছে। কয়েকজন কৃষক জানান, ইট ভাটা কর্তৃপক্ষ কৃষকদের মোটা অংকের অর্থের লোভ দেখিয়ে ধান চাষে বাঁধা গ্রস্থ করছে ফলে ক্রমস কমে যাচ্ছে কৃষি জমি। এমতাবস্থায় সরকারী এলজিইডি সড়ক নষ্ট, পরিবেশ নষ্ট, ফসলী জমি নষ্টকারী ইট ভাটার বিরুদ্ধে অতিদ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে জেলা প্রশাসক এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।