কুল্যার মোড়ে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের দোকানে প্রেমিকার অবস্থান

0
499

নিজস্ব প্রতিনিধি॥
আশাশুনি উপজেলার কুল্যার মোড়ে প্রেমিকের দোকানে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকার অবস্থানের ঘটনা ঘটেছে। গত রবিবার উপজেলার কুল্যার মোড়ে জেবায়ের ফ্রিজের দোকানে এ ঘটনাটি ঘটেছে। ফিংড়ী গ্রামের অনার্স পড়–য়া এক ছাত্রী জানান, তিনি ও কুল্যা গ্রামের রবিউল ইসলামের পুত্র জোবায়ের হোসেন ওরফে রকি একই ক্লাশে মাধ্যমিকে পড়ালেখা করেছে। এরপর কলেজে ও বর্তমানে সাতক্ষীরা কলেজে অনার্স সে পড়ালেখা করছে। তাদের মধ্যে ৩ বছর আগে থেকে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক অনেক কাছাকাছি পর্যন্ত গড়ে তোলা হয়। দেড় বছর আগে ছেলেপক্ষ মেয়েদের বাড়িতে গিয়ে সম্পর্ক স্থায়ীত্ব করতে চায়। কিন্তু ছেলেপক্ষ আর এগোয়নি। এর কয়েকদিনের মধ্যে ছেলে গোপনে অন্যত্র বিয়ে করে। কিন্তু মোবাইলে তাদের যোগাযোগ অটুট ছিল। এক মাস ৭ দিন পর তারা পুনরায় একে অন্যের সাথে দেখা সাক্ষাৎ শুরু করে। মেয়ে বিয়ের কথা জানতে পেরে ১৮ জুলাই প্রেমিক রকির কুল্যার মোড়ের ফ্রিজের দোকানে আসলে গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে ছিল। রাতে রকি মেয়েকে দোকানে রেখে দোকান বন্দ করে বাড়িতে যায়। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থানে পৌছে মেয়েকে পিতার জিম্মায় দিয়ে দেন। এরপর থেকে তাদের যোগাযোগ থাকলেও একদিন কথা বলতে মেয়ে মোবাইলে রিং করলে রকির স্ত্রী রিসিভ করেন। এনিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। কথা বলা বন্দ করে দেয় রকি। বাধ্য হয়ে গত রবিবার দুপুর ২ টার দিকে মেয়েটি প্রেমিক রকিকের ফ্রিজের দোকানে এসে হাজির হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। তখন মেয়ে বলে হয় আজই বিয়ে করতে হবে, না হলে আত্মহত্যা করবে বলে হুমকী দেয়। এব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত জুবায়ের মোবাইলে রাতের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তার সাথে স্কুল জীবন থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু তাদের পরিবারকে আমার পরিবারের পছন্দ না হওয়ায় আমার পরিবার আমাকে অন্যত্র বিয়ে দেয়। বর্তমানে তার সাথে কোন সম্পর্ক নেই। আমি বিবাহিত পুরুষ। আমি তাকে কিভাবে বিয়ে করবো। তাই মান সম্মানের ভয়ে আমি দোকান থেকে চলে এসেছি।