কাউন্সিলর প্রার্থীরা কে কোন প্রতীক পেলেন

0
444

নিজস্ব প্রতিবেদক : খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে পাঁচ মেয়র প্রার্থী, ১৪৭ কাউন্সিলর প্রার্থী ও ৩৮ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এসব প্রতীক।
কেসিসি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুচ আলী জানিয়েছেন, মেয়র পদে প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে কোনও সমস্যা হয়নি তবে, সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে একাধিক প্রার্থী একই প্রতীক চাওয়ায় লটারির মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়।
১ নম্বর ওয়ার্ড: ১ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. শাহাদাত মিনা পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, বিএনপির মো. মহিউদ্দিন পেয়েছেন ট্রাক্টর, জামায়াতের এস এম আজিজুর রহমান স্বপন পেয়েছেন লাটিম, ইসলামী আন্দোলনের মো. জাহাঙ্গীর লস্কর পেয়েছেন কাটা চামচ, জাতীয় পার্টির মো. শাহাজাহান শিরাজ পেয়েছেন ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রোজিনা বেগম রাজিয়া ও আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আব্দুর রাজ্জাক প্রতীক পেয়েছেন যথাক্রমে ঝুড়ি ও ঘুড়ি।
২ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগ নেতা এফ এম জাহিদ হাসান জাকির পেয়েছেন ঘুড়ি, ইসলামী আন্দোলনের মো. আব্দুর রহমান মোল্লা পেয়েছেন লাটিম, স্বতন্ত্র বজলুর রহমান পেয়েছেন টিফিন ক্যারিয়ার, আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. শাকিল আহমেদ পেয়েছেন ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট এবং বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি।
৩ নম্বর ওয়ার্ড: বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আদুস সালাম পেয়েছেন ঘুড়ি, ইসলামী আন্দোলনের ক্বারী মো. শাহ আলম মীর পেয়েছেন লাটিম, বিএনপি প্রার্থী শেখ গাউছ হোসেন পেয়েছেন ঝুড়ি ও জামায়াত নেতা সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি।
৪ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম রব্বানী টিপু পেয়েছেন লাটিম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মো. আফজাল হোসেন পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, জাতীয় পার্টি মো. আবু আসালাত মোড়ল পেয়েছেন ট্রাক্টর, আওয়ামী লীগ নেতা মো. ইকবাল গাজী পেয়েছেন টিফিন ক্যারিয়ার, বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা মো. কবির হোসেন কবু মোল্লা পেয়েছেন ঘুড়ি, ইসলামী আন্দোলনের মো. জাহাঙ্গীর মোড়ল পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া, জামায়াত নেতা মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন পেয়েছেন কাটা চামচ।
৫ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. হারুন-অর-রশীদ পেয়েছেন ট্রাক্টর, বিএনপির প্রার্থী শেখ সাজ্জাদ হোসেন তোতন পেয়েছেন লাটিম, ইসলামী আন্দোলনের মো. নাজমুল সিকদার পেয়েছেন টিফিন ক্যারিয়ার, স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা শেখ কামরুজ্জামান পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মোহাম্মদ আলী পেয়েছেন ঘুড়ি এবং বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি প্রার্থী এস এম হুমায়ূন কবির পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া।
৬ নম্বর ওয়ার্ড: বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপির প্রার্থী শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ প্রিন্স পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহ মো. ওয়াজেদ আলী মজনু পেয়েছেন ঝুড়ি, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. তরিকুল ইসলাম কবির পেয়েছেন কাটা চামচ ও বিএনপি নেতা মো. শামসুল আলম মিল্টন পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া।
৭ নম্বর ওয়ার্ড: ইসলামী আন্দোলনের গাজী মিজানুর রহমান পেয়েছেন লাটিম, বিএনপির মো. সুলতান মাহমুদ পিন্টু পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ সেলিম আহমেদ পেয়েছেন ঘুড়ি।
৮ নম্বর ওয়ার্ড: বিএনপির মো. ডালিম হাওলাদার পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের মো. সাইদুর রহমান পেয়েছেন ঘুড়ি ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হাফেজ সামসুল আলম পেয়েছেন লাটিম।
৯ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোল্লা হায়দার আলী পেয়েছেন রেডিও, বিএনপির শেখ জাহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, ইসলামী আন্দোলনের শেখ শওকাত আলী পেয়েছেন লাটিম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা এমডি মাহফুজুর রহমান লিটন পেয়েছেন ঘুড়ি।
১০ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী এএসএম সায়েম মিয়া পেয়েছেন লাটিম, বিএনপির মো. ফারুক হাসান হিল্টন পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া, ইসলামী আন্দোলনের জামাল হোসেন পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি নেতা শেখ খায়রুজ্জামান পেয়েছেন রেডিও ও যুবলীগ নেতা কাজী তালাত হোসেন পেয়েছেন ঘুড়ি।
১১ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুন্সী আব্দুল ওদুদ পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া, বিএনপির মো. ইউনুস আলী সরদার পেয়েছেন টিফিন ক্যারিয়ার, ইসলামী আন্দোলনের মো. মোস্তফা হাওলাদার পেয়েছেন লাটিম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে কাজী নিয়ামুল হক (মিঠু) পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি ও আওয়ামী লীগ নেতা জামান মোল্লা পেয়েছেন ঘুড়ি।
১২ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী আসলাম খাঁন মুরাদ পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, বিএনপির এইচএম আবু সালেক পেয়েছেন লাটিম, ইসলামী আন্দোলনের ডা. আজমল হোসেন পেয়েছেন কাঁটা চামচ, জাপার মো. শাহাবুদ্দীন পেয়েছেন ঘুড়ি, জামায়াত নেতা মাস্টার মো. শফিকুল আলম পেয়েছেন রেডিও এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপি নেতা মো. মুনিরুজ্জামান পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া।
১৩ নম্বর ওয়ার্ড: বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী এসএম খুরশিদ আহমেদ টোনা পেয়েছেন ঘুড়ি, বিএনপির মো. ইমতিয়াজ আলম পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মোসাদ্দেক হোসেন (বাবুল) পেয়েছেন লাটিম।
১৪ নম্বর ওয়ার্ড: বিএনপির প্রার্থী এসএম আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া, আওয়ামী লীগের শেখ মোসারাফ হোসেন পেয়েছেন লাটিম, ইসলামী আন্দোলনের শেখ লুৎফার রহমান পেয়েছেন ট্রাক্টর এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে মো. মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন কাঁটা চামচ, শেখ গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ঘুড়ি, শেখ মফিজুর রহমান পলাশ পেয়েছেন ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট ও শেখ মশিউর রহমান পেয়েছেন রেডিও।
১৫ নম্বর ওয়ার্ড: বিএনপির প্রার্থী এসএম আব্দুর রহমান ডিনো পেয়েছেন রেডিও, ইসলামী আন্দোলনের জিএম কিবরিয়া পেয়েছেন ঘুড়ি এবং বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম মুন্না পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি।
১৬ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ আবিদ উল্লাহ পেয়েছেন লাটিম, বিএনপির শেখ জামিরুল ইসলাম পেয়েছেন রেডিও, ইসলামী আন্দোলনের শেখ মারুফ হোসেন পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে আতিকুর রহমান বিশ্বাস (রুবেল) পেয়েছেন ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, মল্লিক আসাদুজ্জামান পেয়েছেন ট্রাক্টর, বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা মো. আনিছুর রহমান বিশ্বাস পেয়েছেন ঘুড়ি।
১৭ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী এসএম মনিরুজ্জামান সাগর পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, ইসলামী আন্দোলনের মো. আব্দুর রশিদ পেয়েছেন লাটিম এবং বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি প্রার্থী শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ পেয়েছেন ঘুড়ি।
১৮ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী টিএম আরিফ পেয়েছেন ঝুড়ি, ইসলামী আন্দোলনের মো. মুকুল শেখ পেয়েছেন লাটিম, বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি প্রার্থী মো. হাফিজুর রহমান মনি পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে রুস্তম আলী হাওলাদার পেয়েছেন রেডিও, শেখ মো. অমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ঘুড়ি ও আওয়ামী লীগ নেতা এসএম রাজুল হাসান রাজু পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি।
১৯ নম্বর ওয়ার্ড: ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আলহাজ মো. ফজলুর রহমান পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি প্রার্থী আশফাকুর রহমান (কাকন) পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া, আওয়ামী লীগের মো. মোতালেব মিয়া পেয়েছেন রেডিও এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে মো. জাকির হোসেন পেয়েছেন টিফিন ক্যারিয়ার, মো. মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন লাটিম ও শেখ মনিরুজ্জামান মনির পেয়েছেন ঘুড়ি।
২০ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. বাদশা হাওলাদার পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, ইসলামী আন্দোলনের মো. শাজাহান হাওলাদার পেয়েছেন ট্রাক্টর, বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি প্রার্থী শেখ মো. গাউসুল আজম পেয়েছেন ঘুড়ি।
২১ নম্বর ওয়ার্ড: ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী এসএম শামীমুর আলম পেয়েছেন লাটিম, বিএনপির মোল্লা ফরিদ আহমেদ পেয়েছেন ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট, জাপার মো. মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি এবং বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন পেয়েছেন ঘুড়ি।
২২ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী আবুল কালাম আজাদ বিকু পেয়েছেন ঘুড়ি, ইসলামী আন্দোলনের মো. ইলিয়াস হোসেন পেয়েছেন লাটিম, বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপির প্রার্থী মো. মাহবুব কায়সার পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মো. নূর ইসলাম শেখ পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া।
২৩ নম্বর ওয়ার্ড: ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আলহাজ্ব মো. আবু তাহের পেয়েছেন লাটিম, বিএনপির মো. সাব্বির হোসেন সাব্বির পেয়েছেন ঝুড়ি, আওয়ামী লীগের মো. ফয়েজুল ইসলাম টিটো পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ ইমাম হাসান চৌধূরী ময়না পেয়েছেন ঘুড়ি, জুনায়েদ চৌধুরী পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া, আওয়ামী লীগ নেতা বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ পেয়েছেন রেডিও।
২৪ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী এএনএম মঈনুল ইসলাম পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি প্রার্থী মো. শমসের আলী মিন্টু পেয়েছেন ঘুড়ি, ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. নাছির উদ্দিন পেয়েছেন লাটিম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে এ এস এম সাইদুর রহমান পেয়েছেন টিফিন ক্যারিয়ার, বিএনপি নেতা এসএম খায়রুল বাশার পেয়েছেন ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট ও মো. আসাদুজ্জামান আসাদ পেয়েছেন ঝুড়ি।
২৫ নম্বর ওয়ার্ড: বিএনপির প্রার্থী আনিছুর রহমান আরজু পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া, বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আলী আকবর পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, ইসলামী আন্দোলনের মো. ইমরান হোসেন মিয়া পেয়েছেন ঘুড়ি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবলীগ নেতা শেখ শহীদ আলী পেয়েছেন লাটিম।
২৬ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ আব্দুল আজিজ পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, ইসলামী আন্দোলনের মো. আকবর আলী পাঠান পেয়েছেন লাটিম, বিএনপির এসএম মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ঘুড়ি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর মো. গোলাম মওলা শানু পেয়েছেন টিফিন ক্যারিয়ার ও বিএনপি নেতা মো. মাহমুদ আলম বাবু মোড়ল পেয়েছেন ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট।
২৭ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী জেড এ মাহমুদ (ডন) পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, জাপার মো. সাইফুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ঘুড়ি, বিএনপি প্রার্থী মো. হাসান মেহেদী রেজভী পেয়েছেন ঝুড়ি ও ইসলামী আন্দোলনের ফেরদৌস গাজী সুমন পেয়েছেন লাটিম।
২৮ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমল আহমেদ তপন পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি প্রার্থী ওয়াহেদুর রহমান দিপু পেয়েছেন ঘুড়ি এবং ইসলামী আন্দোলনের মো. শেখ ফজলুল করিম পেয়েছেন লাটিম।
২৯ নম্বর ওয়ার্ড: বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন বনি পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া, ইসলামী আন্দোলনের রুহুল আমিন বিশ্বাস পেয়েছেন লাটিম, আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফকির মো. সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ঘুড়ি।
৩০ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী এসএম মোজাফ্ফর রশিদী রেজা পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি এবং বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা মুহা. আমানউল্লা আমান পেয়েছেন ঘুড়ি।
৩১ নম্বর ওয়ার্ড: আওয়ামী লীগের প্রার্থী এসএম আসাদুজ্জামান রাসেল পেয়েছেন ঝুড়ি, ইসলামী আন্দোলনের মো. গোলাম মোস্তফা সজীব মোল্লা পেয়েছেন ঠেলাগাড়ি, বর্তমান কাউন্সিলর ও জামায়াত নেতা শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল পেয়েছেন টিফিন ক্যারিয়ার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে কাজী মো. ইউসুফ আলী পেয়েছেন মিষ্টি কুমড়া, জিএম আব্দুর রব সজল পেয়েছেন ট্রাক্টর, মো. আরিফ হোসেন পেয়েছেন ব্যাডমিন্ট র‌্যাকেট, মো. আলী আজম মোল্লা পেয়েছেন রেডিও, মো. জাহিদ পেয়েছেন ঘুড়ি ও মো. শরিফুল ইসলাম মুন্না পেয়েছেন লাটিম।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর ১ নম্বর ওয়ার্ড (১, ২ ও ৩): আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফাতেমাতুজ্জোহরা পেয়েছেন আনারস, বিএনপির লায়লা আঞ্জুমান বানু পেয়েছেন জীপ গাড়ি, স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরা আক্তার পেয়েছেন বই।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর ২ নম্বর ওয়ার্ড (৪, ৫ ও ৬): বিএনপির প্রার্থী পারভীন আক্তার পেয়েছেন গ্লাস ও আওয়ামী লীগের সাহিদা বেগম পেয়েছেন আনরস।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর ৩ নম্বর ওয়ার্ড (৭, ৮ ও ৯): বিএনপির প্রার্থী পাপিয়া আক্তার পারুল পেয়েছেন গ্লাস, আওয়ামী লীগের রেহেনা গাজী পেয়েছেন হেলিকপ্টার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে মোছা. ছাবিনা আখতার পেয়েছেন আনারস, রহিমা আক্তার হেনা পেয়েছেন জীপ গাড়ি, রাফিজা পেয়েছেন বই, মিসেস আরিফা আলম পেয়েছেন চশমা ও আফরোজা আক্তার পেয়েছেন ডলফিন।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর ৪ নম্বর ওয়ার্ড (১১, ১২ ও ১৩): বিএনপির প্রার্থী আফরোজা জামান পেয়েছেন বই, বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের পারভীন আক্তার পেয়েছেন চশমা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী খাদিজা সুলতানা পেয়েছেন আনারস।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর ৫ নম্বর ওয়ার্ড (৯, ১৪ ও ১৫): বিএনপির প্রার্থী মিসেস মনি পেয়েছেন বই, আওয়ামী লীগের মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু পেয়েছেন আনারস।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর ৬ নম্বর ওয়ার্ড (১৬, ১৭ ও ১৮): বিএনপির প্রার্থী রাবেয়া ফাহিদ হেনা পেয়েছেন আনারস, আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ আমেনা হালিম পেয়েছেন বেবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা রোজি ইসলাম পেয়েছেন চশমা।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর ৭ নম্বর ওয়ার্ড (১৯, ২০, ২৫ ও ২৬): বর্তমান কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহমুদা বেগম পেয়েছেন মোবাইল, বিএনপির শামসুন্নাহার লিপি পেয়েছেন আনারস এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা মনোয়ারা সুলতানা কাকলী পেয়েছেন গ্লাস।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর ৮ নম্বর ওয়ার্ড (২১, ২২ ও ২৩): বিএনপির প্রার্থী আজিজা খানম এলিজা পেয়েছেন আনারস, আওয়ামী লীগের কনিকা সাহা পেয়েছেন চশমা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রোকেয়া রহমান পেয়েছেন বই।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর ৯ নম্বর ওয়ার্ড (২৪, ২৭ ও ২৮): বিএনপির প্রার্থী মাজেদা খাতুন পেয়েছেন আনারস, আওয়ামী লীগের লিভানা পারভীন পেয়েছেন গ্লাস এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর রুমা খাতুন পেয়েছেন চশমা, আওয়ামী লীগ নেতা শাহানুর বেগম পেয়েছেন মোবাইল ফোন ও কোহিনুর আক্তার পেয়েছেন বই।
সংরক্ষিত কাউন্সিলর ১০ নম্বর ওয়ার্ড (২৯, ৩০ ও ৩১): আওয়ামী লগের প্রার্থী লুৎফুন্নেসা লুৎফা পেয়েছেন চশমা, বিএনপি নেতা হাসিনা আকরাম পেয়েছেন আনারস, বিএনপি নেতা হোসনে আরা বেগম চাঁদনী পেয়েছেন বই, শাহানা পারভীন পেয়েছেন ডলফিন, বিলকিস আরা বুলি পেয়েছেন স্টিল আলমারি, মোছা. হোসনেয়ারা পেয়েছেন গ্লাস, মিসেস রেকসানা কামাল লিলি পেয়েছেন মোবাইল।