এ পি জে আবদুল কালামরে ৩০টি অমিয় বাণী

0
831

অনলাইন ডেস্কঃ আবুল পাকরি জয়নুল আবদেনি আবদুল কালাম, জন্ম ১৫ অক্টোবর ১৯৩১, ভারতরে তামলিনাড়ু রাজ্যরে রামশ্বেরম।ে তনিি ছলিনে একাধারে বজ্ঞিানী, লখেক ও সমাজচন্তিক, ছলিনে ভারতীয় প্রজাতন্ত্ররে একাদশ রাষ্ট্রপতি (২০০২ – ২০০৭)।

কালাম তার র্কমজীবন শুরু করছেলিনে একজন বজ্ঞিানী হসিবে।ে পরে তনিি ঘটনাচক্রে গণপ্রজাতন্ত্রী র্ধমনরিপক্ষে ভারতরে রাষ্ট্রপতি নর্বিাচতি হন। রকটে উন্নয়নরে কাজে অবদানরে জন্য তাকে ‘ভারতরে ক্ষপেণাস্ত্র মানব’ বা ‘মসিাইল ম্যান অব ইন্ডযি়া’ বলা হয়। ভারতরে র্সবোচ্চ অসামরকি সম্মান ভারতরত্নসহ একাধকি গুরুত্বর্পূণ সম্মান ও পুরস্কার পযে়ছেলিনে কালাম।

তনিি মারা যান ২৭ জুলাই ২০১৫ সাল।ে তার জীবদ্দশায় ৮৪ বছররে র্দীঘ ও সফল র্কমজীবনে র্অজতি অভজ্ঞিতা ও র্দশন থকেে আমাদরে জন্য রখেে গছেনে অসংখ্য মহামূল্যবান বাণী। তার মধ্যে কছিু সংকলন করা হলো-

১. একটি ভালো বই একশ ভালো বন্ধুর সমান, কন্তিু একজন ভালো বন্ধু একটি লাইব্ররেরি সমান।

২. সফলতার গল্প পড়ো না, কারণ তা থকেে তুমি শুধু গল্পটাই পাব।ে র্ব্যথতার গল্প পড়ো, তাহলে সফল হওয়ার কছিু উপায় পাব।ে

৩. স্বপ্ন পূরণ না হওয়া র্পযন্ত স্বপ্ন দখেে যাও। স্বপ্ন সটো নয় যা তুমি ঘুমযি়ে ঘুময়িে দখেো, স্বপ্ন হলো সটোই যা তোমাকে ঘুমোতে দয়ে না।

৪. মানুষ তার ভবষ্যিত পরর্বিতন করতে পারে না, কন্তিু অভ্যাস পরর্বিতন করতে পার।ে অভ্যাসই মানুষরে ভবষ্যিত পরর্বিতন করে দয়ে।

৫. তুমি যদি র্সূযরে মতো আলো ছড়াতে চাও, তাহলে আগে র্সূযরে মতো পুড়তে শখেো।

৬. উদার ব্যক্তরিা র্ধমকে ব্যবহার করে বন্ধুত্বরে হাত বাড়ান। কন্তিু সংর্কীণমনস্করা র্ধমকে যুদ্ধরে অস্ত্র হসিবেে ব্যবহার কর।ে

৭. নতো সমস্যায় ভয় পান না। বরং সমস্যার মোকাবলিা করতে জানবনে। তাকে কাজ করতে হবে সততার সঙ্গ।ে

৮. জাতরি সবচয়েে ভালো মধো ক্লাসরুমরে শষে বঞ্চে থকেে পাওয়া যতেে পার।ে

৯. ছাত্রজীবনে আমি বমিানরে পাইলট হতে চয়েছেলিাম। কন্তিু সইে স্বপ্ন পূরণে র্ব্যথ হয়ছে,ি হয়ে গছেি রকটে বজ্ঞিানী।

১০. জীবন ও সময় পৃথবিীর শ্রষ্ঠে শক্ষিক। জীবন শখোয় সময়কে ভালোভাবে ব্যবহার করতে আর সময় শখোয় জীবনরে মূল্য দতি।ে

১১. কঠনি কাজে আনন্দ বশেি পাওয়া যায়। তাই সফলতার আনন্দ পাওয়ার জন্য মানুষরে কাজ কঠনি হওয়া উচতি।

১২. প্রথম সাফল্যরে পর বসে থকেো না। কারণ দ্বতিীয়বার যখন তুমি র্ব্যথ হবে তখন অনকেইে বলবে প্রথমটতিে শুধু ভাগ্যরে জোরে সফল হয়ছেলি।ে

১৩. যারা মন থকেে কাজ করে না, তারা আসলে কছিুই পায় না। আর পলেওে সটো হয় র্অধকে হৃদয়রে সফলতা। তাতে সব সময়ই একরকম তক্তিতা থকেে যায়।

১৪. তরুণ প্রজন্মরে কাছে আমার র্বাতা হলো- তাদরে ভন্নিভাবে চন্তিা করবার সাহস থাকতে হব।ে মনরে ভতের আবষ্কিাররে তাড়না থাকতে হব।ে নজিরে সমস্যা নজিে মটোবার মানসকিতা থাকতে হব।ে

১৫. বৃষ্টি শুরু হলে সব পাখইি কোথাও না কোথাও আশ্রয় খােঁজ।ে কন্তিু ঈগল মঘেরে ওপর দয়িে উড়ে বৃষ্টকিে এড়য়িে যায়।

১৬. আমি সুপুরুষ নই। কন্তিু যখন কউে বপিদে পড়নে আমি সাহায্যরে হাত বাড়য়িে দইি। সৌর্ন্দয থাকে মানুষরে মন,ে চহোরায় নয়।

১৭. কাউকে হারয়িে দয়োটা খুব সহজ, কন্তিু কঠনি হলো কারো মন জয় করা।

১৮. তুমি যদি তোমার কাজকে স্যালুট করো, দখেো তোমাকে আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না। কন্তিু তুমি যদি তোমার কাজকে অসম্মান করো, অর্মযাদা কর, ফাঁকি দাও, তাহলে তোমার সবাইকে স্যালুট করতে হব।ে

১৯. প্রতদিনি সকালে এই পাঁচটা লাইন বলো:

১) আমি সরো

২) আমি করতে পারি

৩) সৃষ্টর্কিতা সব সময় আমার সঙ্গে আছে

৪) আমি জয়ী

৫) আজ দনিটা আমার

২০. তনিজনই পারনে একটি দশে বা জাতকিে বদলাত।ে তাঁরা হলনে, বাবা, মা ও শক্ষিক।

২১. জীবনে সমস্যার প্রয়োজন আছ।ে সমস্যা আছে বলইে সাফল্যে এতো আনন্দ।

২২. যে হৃদয় দয়িে কাজ করে না, শূন্যতা ছাড়া সে কছিুই র্অজন করতে পারে না।

২৩. ফলে করে হতাশ হয়ো না। ইংরজেি শব্দ ফলে ‘ঋধরষ’ মানে ‘ঋরৎংঃ অঃঃবসঢ়ঃ রহ খবধৎহরহম’ র্অথাৎ ‘শখোর প্রথম ধাপ’। বফিলতাই তোমাকে সফল হবার রাস্তা দখেয়িে দবে।ে

২৪. সইে ভালো শক্ষর্িাথী যে প্রশ্ন কর।ে প্রশ্ন না করলে কউে শখিতে পারে না। শক্ষর্িাথীদরে প্রশ্ন করার সুযোগ দতিে হব।ে

২৫. সমাপ্তি মানইে শষে নয়। ‘ঊঘউ’ শব্দটরি মানে হচ্ছে ‘ঊভভড়ৎঃ ঘবাবৎ উরবং’ র্অথাৎ ‘প্রচষ্টোর মৃত্যু নইে’।

২৬. আমরা শুধু সাফল্যরে উপরইে গড়ি না, র্ব্যথতার উপরওে গড়।ি

২৭. একজন খারাপ ছাত্র একজন দক্ষ শক্ষিকরে কাছ থকেে যা শখিতে পারে তার চয়েে একজন ভালো ছাত্র একজন খারাপ শক্ষিকরে কাছ থকেে অনকে বশেি শখিতে পার।ে

২৮. উপরে তাকয়িে আকাশটাকে দখেো। তুমি একা নও, এই মহাবশ্বি তোমার বন্ধুর মতোই।

২৯. কোনো একটা প্রশ্নরে উত্তর খুঁজে পাচ্ছো না! চন্তিতি করো না- ‘ঘঙ’ শব্দরে মানে হচ্ছে ‘ঘবীঃ ঙঢ়ঢ়ড়ৎঃঁহরঃু’ র্অথাৎ ‘পরর্বতী সুযোগ’।

৩০. স্বপ্ন, স্বপ্ন, স্বপ্ন। স্বপ্ন দখেে যতেে হব।ে স্বপ্ন না দখেলে কাজ করা যায় না।