এবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ক্ষমা চাইলেন জাকারবার্গ

0
461

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:

ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা তথ্য কেলেঙ্কারি ইস্যুতে এবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টের কাছে ক্ষমা চাইলেন ফেসবুক সিইও মার্ক জাকারবার্গ। এর আগে মার্কিন সিনেটের সামনে তীব্র প্রশ্নবাণের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। ইউরোপে নতুন তথ্য সুরক্ষা আইন চালু হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই এ ঘটনাটি ঘটলো। খবর ডয়েচ ভেলে ও এনডিটিভির।

ব্রাসেলসে অনুষ্ঠেয় এই মিটিংয়ে ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা রাজনৈতিক নেতারা ফেসবুককে গ্রাহকদের তথ্য সুরক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়া, ভূয়া খবর, সন্ত্রাসী প্রোপাগান্ডা এবং অন্যান্য আপত্তিকর কনটেন্ট শেয়ার করা বন্ধ করতে না পারার অভিযোগে অভিযুক্ত করেন।

নীতিনির্ধারকরা ফেসবুক সিইওকে আরও বলেন, কোম্পানিটি এতোই বড় আর শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে এটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। এটাকে অবশ্যই তদন্তের আওতায় আনতে হবে এবং ভেঙে ফেলতে হবে।

মিটিংয়ের শুরুতে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও তাজানি ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকাকে ফেসবুক যেভাবে গ্রাহকদের তথ্যে নিয়ন্ত্রণ দিয়েছিল সেটাকে বিপদজনক বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, বিনামূল্যে সেবায় তথ্য বিনিময়ের প্রক্রিয়ার জন্যই অধিকাংশ ক্ষেত্রে গ্রাহকরা মূল্য দিয়ে থাকেন। যাইহোক গনতন্ত্র কখনোই কারও ব্যক্তি মার্কেটিং অপারেশন হতে পারে না যেখানে কেউ তথ্য কিনতে পারলেই রাজনৈতিক সুবিধা নিতে পারবে।

——————————————————–
আরও পড়ুন : উবার-পাঠাওসহ ৭ প্রতিষ্ঠানের দখলে যাচ্ছে রাইড শেয়ারিং!
——————————————————–

জবাবে মার্ক জাকারবার্গ বলেন, আমরা আমাদের কর্তব্য বড় পরিসরে ঠিকভাবে পালন করতে পারিনি। এটা ছিল একটা ভুল এবং আমি দুঃখিত।

এছাড়াও প্রশ্নোত্তর পর্বে জাকারবার্গকে ফেসবুকের তথ্য সংগ্রহের অভ্যাস, কর নীতিমালা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন নেতারা। এছাড়াও অদূর ভবিষ্যতে এমন কোনো তথ্য চুরির ঘটনা ঘটবে কিনা তার নিশ্চয়তা চান উপস্থিত সদস্যরা।

জাকারবার্গ জানান ফেসবুকে ঘৃণাত্মক বক্তব্য, উত্যক্ত করা ও সন্ত্রাসের জন্য কোনো স্থান নেই।

কেমব্রিজ অ্যানালিটিকার তথ্য কেলেঙ্কারির ঘটনায় ৮ কোটি ৭০ লাখ মানুষের তথ্য হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে প্রায় ৩০ লাখ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশের। এর আগে গত ১০ এপ্রিল মার্কিন সিনেটের সামনে হাজির হয়েছেন জাকারবার্গ। বিপুল পরিমাণ ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য চুরির ঘটনায় তাকে সিনেটে তলব করা হয়েছিল