একই কর্মস্থল দাকোপে দীর্ঘকাল সরকারি চাকরির কারনে ঘূষ দূর্নীতি বেড়েছে

0
463

দাকোপ প্রতিনিধি:
খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলার বেশ কযেকটি দপ্তরে ৮/১০ বছর থেকে দেড়/দুইযুগ পর্যন্ত একই ব্যাক্তি একই কর্মস্থলে থেকে বাড়িঘর করে আরাম আয়াসে চাকরি করায় দপ্তরগুলিতে নিয়ম, শৃখলা ভেংগে পড়েছে, ঘুষ দূর্নীতি অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে এলাকাবাসির দীর্ঘকালের অভিযোগ।
খোজখবর নিয়ে জানা গেছে, যে সকল দপ্তর নিয়ে এমন বড় বড় অভিযোগ তারমধ্যে শীর্ষে রয়েছে দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কপপ্লেক্স,তারপর পরিবার পরিকল্পনা অফিস,পশুসম্পদ অফিস,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়,এলজিইডি অফিস,ভুমি অফিস,কৃষি অফিস,ভুমি অফিসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বরত নায়েবগন সহ বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত ৩য় ,৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারি গন। এ সকল দপ্তরের ৫০ জনের অধিক কর্মকর্তা কর্মচারি দীর্ঘকাল যাবৎ দাকোপে কর্মরত থেকে ঘুষ দূর্নীতি সহ নানা অনিয়মের মধ্যে থেকে অফিস পরিচালনা করে আসছে। এদের অনেকেই দাকোপের সদর এলাকায় জায়গা জমি কিনে বাড়ি ঘর কওে নিজ স্বাধীনভাবে অফিস করে থাকে। স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে ,স্থানীয় পলিটিক্সে জড়িয়ে থাকায় এদের তেমন কেউ কিছু করতেও পারেনা বলতেও পারেনা বলে অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে দাকোপ হাসপাতালে কর্মরত কযেকজন আছেন যাদেরকে কেউ কেউ জমিদার হিসাবে আখ্যায়িত করে থাকে। এদের মধ্যে চালনা হাসপাতালে মিজান,টিএনও অফিসের ড্রাইভার রনজিত,ভুমি অফিসের ৪/৫ জন,পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ১৪/১৫ জন,কৃষি অফিসের ৫/৬ জন ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারি আছে যারা দীর্ঘ ১০/১২ বছর থেকে ২৪/২৫ বছর যাবৎ চাকরির সুবাদে দাকোপ সদরের কাছাকাছি অধিকাংশ কর্মচারিরা বাড়ি করে নিজের ইচ্ছানুযায়ী অফিস করে থাকে বলে অভিযোগ আছে এলাকার মানুষের,এদের মধ্যে কেউ কেউ সরকারি জায়গায় বসবাস করছে আবার কেউ কেউ সরকারি জায়গায় পাকাঘর বেধে বহালতবিয়তে বছরের পর বছর বসবাস করছে,সরকারি পুকুরের ইচ্ছানুযায়ী বড় বড় মাছ ধরছে,আবার সব ধরনের সরকারি গাছের ফলমূল বিশেষ করে নারকেল এমনকি সারা বছরের জ্বালানিও ব্যবহার করে আসছে বছরের পর বছর। দাকোপের পুরাতন কোয়াটার এলাকায় সরেজমিন ঘুরে আসলে যে কেউ অনুমান করতে পারবে ছোট ছোট কর্মচারিরা কি হারে কোয়াটার ও সরকারি জায়গা দখল করে বসে আছে।এ বিষয় কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।তবে দাকোপ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনসুর আলি খান বলেছেন একই কর্মস্থলে দীর্ঘকাল চাকরি করলে এমন অনিয়ম তো হতেই পারে,আমি বিয়ষগুলি খতিয়ে দেখে কতটা অনিয়ম চলছে বা চলে আসছে তার প্রতিকারের ব্যাবস্থা নেবে পরিষদ।