উপকূলীয় অঞ্চলে শস্য বহুমুখীকরণে অব্যাহত গবেষণার তাগিদ

0
66

খবর বিজ্ঞপ্তি: বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের কৃষি সম্প্রসারণ ল্যাবে লবণাক্ততার প্রভাব ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে শস্য বহুমুখীকরণ এবং নিবিড় চাষ পদ্ধতির মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধিতে অব্যাহত গবেষণার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চ এবং কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের যৌথ অর্থায়নে একটি সমন্বিত প্রকল্পের পার্টনার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের পরিচালিত গবেষণার মূল্যায়ণ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় গবেষকবৃন্দ এই তাগিদ দেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. সরদার শফিকুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ। তিনি কৃষি গবেষণার সাফল্যের প্রশংসা করে বলেন জনবহুল দেশ হওয়া সত্তেও বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বাজারে প্রচুর শাক-সবজি পাওয়া যায়। এরমধ্যে নতুন নতুন শাক-সবজিও আসছে যা গবেষণার ফল। তিনি বহুমুখী গবেষণার উপর গুরুত্ব দেন। নিউট্রিয়েন্ট ম্যানেজমেন্ট ফর ডাইভার্সিফাইড ক্রপিং ইন বাংলাদেশ শীর্ষক সমন্বিত এ যৌথ গবেষণা প্রকল্পের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশের চিফ ইনভেস্টিগেটর প্রফেসর ড. মোঃ এনামুল কবির পাওয়ার পয়েন্টে এই গবেষণার সারংশ উপস্থাপন করেন। প্রকল্পের কো-ইনভেস্টিগেটর সহকারি অধ্যাপক বিধান চন্দ্র সরকার জানান এই গবেষণা প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ জন মাস্টার্স ও ৪ জন আন্ডার গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থী তাদের থিসিস সম্পন্ন করেছে। সম্পন্নকৃত থিসিস এই গবেষণা প্রকল্পের প্রধান অস্ট্রেলিয়ার মারডক ইউনিভার্সিটির ড. রিচার্ড ডব্লিউ বেল এর হাতে তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক ও গবেষক শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।